আজকালের প্রতিবেদন: আজ থেকে ইস্ট–ওয়েস্ট মেট্রোয় চড়তে পারবেন যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় সেক্টর ফাইভ স্টেশনে পতাকা নেড়ে এই মেট্রোর প্রথম পর্বের যাত্রার উদ্বোধন করলেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। ছিলেন বনমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, কলকাতা মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার মনোজ যোশি, পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার সুনীত শর্মা, দক্ষিণ–পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার এসকে মহান্তি, কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মানস সরকার, কলকাতার জাপানি কনসাল জেনারেল এবং রেলের অন্য আধিকারিকরা। উদ্বোধনের পর রেলমন্ত্রী ও বনমন্ত্রকের রাস্ট্রমন্ত্রী ট্রেনে সেক্টর ফাইভ স্টেশন থেকে সিটি সেন্টার স্টেশন পর্যন্ত ভ্রমণ করেন। ছিলেন রেলের অন্য আধিকারিকরা। প্রথম পর্বের এই মেট্রোয় সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া ১০ টাকা। এখন যে মেট্রো চালু আছে, সেই মেট্রোর স্মার্ট কার্ডও এখানে ব্যবহার করা যাবে। সেক্টর ফাইভ থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত ১৬.‌৫ কিলোমিটার এই গোটা মেট্রো পথটির প্রথম ২ কিলোমিটার ভ্রমণের ভাড়া ৫ টাকা, ২ থেকে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভাড়া ১০ টাকা, ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভাড়া ২০ টাকা এবং ১০ থেকে ১৬.‌৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভাড়া ৩০ টাকা।
আপাতত মেট্রো চলবে সেক্টর ফাইভ স্টেশন থেকে সল্টলেক স্টেডিয়াম স্টেশন পর্যন্ত। ৫.‌৩ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রথম পর্বের এই যাত্রাপথে পড়বে ৬টি স্টেশন। বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেট্রোর উদ্বোধন হলেও, আজ শুক্রবার থেকে এই মেট্রো চলবে। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮ পর্যন্ত। ২০ মিনিট অন্তর। সপ্তাহের অন্যান্য দিন ও শনিবার চলবে ৩৭টি আপ এবং ৩৭টি ডাউন ট্রেন। রবিবার ২৫টি আপ এবং ২৫টি ডাউন ট্রেন চলবে। ছাত্রছত্রীদের জন্য ছাড় আছে ৬০ শতাংশ। পর্যটকদের জন্য কার্ডের সুবিধা থাকছে। 
প্রথম পর্বের এই পথটুকু ট্রেন যাবে মাটির ওপর দিয়ে। সুভাষ সরোবরের কাছে ট্রেন নেমে যাবে মাটির নীচে। সেক্টর ফাইভ থেকে যাত্রা শুরু করার পর এই মেট্রোপথে প্রথম মাটির নীচে স্টেশন ফুলবাগান। সেখান থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত গোটা পথটাই মেট্রো অতিক্রম করবে মাটির নীচ দিয়ে। পথে পেরোবে হুগলি নদী। 
এদিন রেলমন্ত্রী বলেন, দুর্গাপূজার আগেই ফুলবাগান স্টেশনে ট্রেন যাবে। আগামী ২ বছরের মধ্যে এই মেট্রো হাওড়া পর্যন্ত চলাচল করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। উন্নতমানের এই মেট্রো রেকগুলি ২০৭০ জন যাত্রী বহন করতে পারে। প্ল্যাটফর্ম থেকে যাতে কেউ রেললাইনের কাছে না যেতে পারেন, সেজন্য আছে প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর (‌পিএসডি)‌। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য থাকবে হুইলচেয়ার। তঁারা সরাসরি এই চেয়ারে করেই ট্রেনে উঠে যেতে পারবেন। স্টেশনে আছে শৌচালয়ের ব্যবস্থা। এদিন রেলমন্ত্রী পূর্ব ও দক্ষিণ–পূর্ব রেলের কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। ‌‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top