Surajit Sengupta: সুরজিৎ সেনগুপ্তকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দুই ক্লাবে প্রাক্তনদের ঢল

আজকাল ওয়েবডেস্ক: কয়েকদিন আগেই সুভাষ ভৌমিককে বিদায় জানিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। তার সপ্তাহ তিনেক পরই লাল হলুদের আরও এক ঘরের ছেলে অমৃতলোকে পাড়ি দিলেন। ভারাক্রান্ত হৃদয়ে ভারতবর্ষের অন্যতম সেরা উইঙ্গারকে শেষ শ্রদ্ধা জানাল ময়দানের প্রাক্তনীরা। প্রয়াত ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্তর মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান ইস্টবেঙ্গলের অন্যতম শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। শহরের বাইরে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। খবর পেয়েই যাবতীয় কর্মসূচি বাতিল করে ফিরে আসেন। হাসপাতাল থেকে সরাসরি লাল হলুদ তাঁবুতে নিয়ে যাওয়া হয় মরদেহ। সেখানেই প্রয়াত ফুটবলারকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।

ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে উপস্থিত ছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্তর এককালীন সতীর্থরা। শেষ শ্রদ্ধা জানান গৌতম সরকার, সমরেশ চৌধুরীরা। লাল হলুদ পতাকায় মুড়িয়ে ফেলা হয় সুরজিৎ সেনগুপ্তর মরদেহ। 

সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় মোহনবাগান ক্লাবে। শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান মানস ভট্টাচার্য, সত্যজিৎ চ্যাটার্জিরা। ছিলেন সবুজ মেরুনের শীর্ষকর্তা দেবাশিস দত্তও। এরপর প্রয়াত ফুটবলারের পাড়া‌র ক্লাবে প্রায় ঘন্টা খানেক তাঁর মরদেহ রাখা ছিল। সেখানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান সুব্রত ভট্টাচার্য, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, বিদেশ বসু, মানস ভট্টাচার্য, প্রশান্ত চক্রবর্তীরা। গল্ফগ্রিন থেকে শেষকৃত্যের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় কেওড়াতলা মহাশ্মশানে।

সুরজিৎ সেনগুপ্তর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ময়দানের দুই তাঁবু। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ক্লাবের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। সুরজিৎ সেনগুপ্তর মৃত্যুর খবর আসা মাত্র অনুশীলনরত ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের হকি খেলোয়াড়রা নীরবতা পালন করে। শ্রদ্ধার্ঘ্য জানায় ইস্টবেঙ্গল ফুটবল স্কুলের শিক্ষার্থীরাও। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ লাল হলুদ তাঁবুতে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ আগেই করে রেখেছিলেন ময়দানের শিল্পী ফুটবলার। করোনা আবহে আরেক ঘরের ছেলে বিদায়বেলায় ময়দানে পা না রাখতে পারলেও সুরজিতের শেষ ইচ্ছাপূরণ হল। প্রিয় লাল হলুদ তাঁবু থেকেই মহাপ্রস্থানের পথে রওনা দিলেন ভারতবর্ষের অন্যতম সেরা উইঙ্গার।

ছবি: অভিষেক চক্রবর্তী

আকর্ষণীয় খবর