Surajit Sengupta: ২৫ দিনের লড়াই শেষ, চলে গেলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত

আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাংলার ক্রীড়াজগতে আরও একটি নক্ষত্র পতন।

শেষ হয়ে গেল ২৫ দিনের লড়াই। চলে গেলেন প্রখ্যাত ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত। কিংবদন্তি ফুটবলার এবং বিশিষ্ট কোচ সুভাষ ভৌমিকের প্রয়াণের সাড়ে তিন সপ্তাহের মধ্যেই পরলোক গমন করলেন সাতের দশকের আরও এক জনপ্রিয় ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৭০। বৃহস্পতিবার দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কোভিড এনসেলোপ্যাথি এবং মাল্টিঅর্গান ফেলিওর মৃত্যুর কারণ। সতীর্থ এবং সিনিয়র সুভাষ ভৌমিকের প্রয়াণের পর শোক প্রকাশ করেছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। সংবাদপত্রে নিজের কলমও লেখেন। পরের দিনই, অর্থাৎ রবিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে করোনা আক্রান্ত হয়ে বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছিল। অত্যধিক কাশি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ২০১১ সালে বাইপাস সার্জারি হয়েছিল। তাই উদ্বিগ্ন ছিলেন চিকিৎসকরা। গত কয়েকদিন ধরে শারীরিক অবস্থা ওঠা-নামা করছিল। প্রায় তিন সপ্তাহ লড়াই চালানোর পর শেষমেষ করোনার কাছে হার মানলেন প্রখ্যাত ফুটবলার। বৃহস্পতিবার দুপুরে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে অমৃতলোকে পাড়ি দিলেন। সন্ধে সাতটা থেকে আটটা গলফগ্রিনের উদয় সদনে রাখা থাকবে তাঁর মরদেহ। হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছে সুরজিৎ সেনগুপ্তর পরিবার। 

 

ফুসফুস বিশেষজ্ঞ ড. অজয় সরকারের চিকিৎসাধীন ছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। প্রথমে এইচডিইউ বেডে রাখা হয়েছিল তাঁকে। শুরুতে অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দু'দিন পর থেকেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে পোর্টেবল বাইপ্যাপ চিকিৎসা ব্যবস্থার মধ্যে রাখা হয়েছিল। কিন্তু পরে তাঁকে পুরোদস্তুর বাইপ্যাপের মধ্যে রাখা হয়। মাঝে দু'দিন শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হয়েছিল। পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন। কিন্তু ফের অবনতি হয়। ফুসফুস জনিত সমস্যা বাড়তে থাকে। ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। গত ১৯ দিন ধরে ভেন্টিলেশনে ছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত জীবনযুদ্ধে হেরে গেলেন। রেখে গেলেন স্ত্রী এবং পুত্র স্নিগ্ধদেব সেনগুপ্তকে। তাঁর প্রয়াণে ময়দানের শোকের ছায়া।

আকর্ষণীয় খবর