আজকালের প্রতিবেদন: কলকাতার রাস্তার খাবার এখন অনেক নিরাপদ। কলকাতার স্ট্রিট ফুড নিয়ে সম্প্রতি এক সমীক্ষায় এমনই জানানো হয়েছে। কলকাতার পথ খাবার নিয়ে ওয়ার্ল্ড হেল্‌থ অর্গানাইজেশন (‌‌হু)‌, রাজ্য স্বাস্থ্য এবং পুর স্বাস্থ্য দপ্তর যৌথভাবে সমীক্ষা চালায়। মঙ্গলবার সেই সমীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর, পুর স্বাস্থ্য দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে আলোচনায় বসেন কলকাতার ডেপুটি মেয়র, মেয়র পারিষদ (‌স্বাস্থ্য)‌ অতীন ঘোষ। ছিলেন হু’‌এর প্রোজেক্ট কো–অর্ডিনেটর ইন্দিরা চক্রবর্তী। আলোচনার পর ডেপুটি মেয়র জানান, দেশের অন্যান্য রাজ্যের স্ট্রিট ফুডের থেকে কলকাতার রাস্তার খাবার অনেক বেশি নিরাপদ। সমীক্ষা রিপোর্টই তাই বলছে। ১০০ শতাংশ নিরাপদ সেটা না হলেও। এখন রাস্তার খাবারের মানোন্নয়ন হয়েছে। এই অর্থনৈতিক অবস্থায় যতটা সচেতন থাকা সম্ভব, কলকাতার রাস্তার খাবার ততটাই সুরক্ষিত। রাস্তার খাবারকে স্বাস্থ্য সম্মত করে তুলতে পুরসভার ফুড সেফটি অফিসারদের নিয়ে ১৬টি মোবাইল দল তৈরি করা হয়েছে। ১৬টি জোনে ভাগ করে অভিযান চালানো হয়। মোবাইল সার্ভে করা হচ্ছে। রাস্তার খাবার নিয়ে জনসচেতনতা বাড়িয়ে তুলতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। খাবার বিক্রেতাই শুধু নয়, ক্রেতাদেরও সচেতন করা হয়েছে। রাস্তার খাবারে ক্ষতিকর রং, ভেজাল মেশানো হচ্ছে কিনা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হচ্ছে কিনা, সেদিকে নজর রাখা হয়। যেখানে রান্নার সামগ্রীতে রাসায়নিক রং, ক্ষতিকর জিনিস ব্যবহার হতে দেখা গেছে, তা ফেলে দেওয়া হয়েছে। তেল, মশলার দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। একই জলে বার বার বাসন ধোয়া হচ্ছে কিনা, সেদিকেও নজর রাখা হয়েছে। পুরসভা থেকে স্ট্রিট ফুড বিক্রেতাদের গ্লাভস, টুপিও দেওয়া হয়েছে। ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top