সম্বৃতা মুখার্জি: কলকাতায় এসেছিলেন বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে। মোবাইল খারাপ হয়ে যায়, ব্যাগও যায় হারিয়ে। গোলমালে ধরতে পারেননি বিমান। লকডাউন শুরুর প্রথম দিনে দমদম বিমানবন্দরে বিপর্যস্ত হয়ে বসেছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী তরুণী অলকা কুমারী। শেষ পর্যন্ত বুধবার তাঁকে জামশেদপুরে আত্মীয়ের বাড়ি ফেরাল হ্যাম রেডিও। হ্যাম সদস্য সোমনাথ চক্রবর্তীর সহযোগিতায়। অলকাকে বিমানবন্দরে বিপর্যস্ত অবস্থায় বসে থাকতে দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন। কেউ কেউ দুর্ব্যবহার করেন। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ করোনা টেস্টের জন্য পাঠান এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে। করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ আসে। এদিকে মানসিক অস্থিরতার কারণে তরুণী হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতে থাকেন। হাসপাতাল থেকে খবর যায় ওয়েস্ট বেঙ্গল রেডিও ক্লাবের সদস্য অম্বরীশ নাগবিশ্বাসের কাছে। তরুণীর কাগজপত্র থেকে নয়ডায় তাঁর ভাইয়ের ঠিকানা, ফোন নম্বর পাওয়া যায়। লকডাউনের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বোনকে জামশেদপুরে আত্মীয়ের বাড়ি পাঠাতে অনুরোধ করেন ভাই। কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের ছাড়পত্র ও একটি গাড়ি জোগাড় হয়। পাশে ছিলেন রাজ্য সরকারি সচিব ও হ্যাম সদস্য সুরেশ কুমার। হ্যামের সোমনাথ চক্রবর্তী নিজেই গাড়ি চালিয়ে পৌঁছে দেন তরুণীকে। 

জনপ্রিয়

Back To Top