আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সাতসকালে তরুণীর বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল কলকাতার একবালপুর থানা এলাকার মহম্মদ আলি রোডে। ইতিমধ্যেই দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। কী কারণে এই পরিণতি তরুণীর? সে বিষয়ে এখনও সম্পূর্ণ অন্ধকারে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকালে কাগজ কুড়োনোর সময় একটি সিমেন্টের বস্তা পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। সেটি খুলতেই হকচকিয়ে যান তাঁরা। ভিতরে ছিল হাত–পা মোড়া অবস্থায় এক তরুণীর দেহ। সঙ্গে সঙ্গেই একবালপুর থানায় খবর দেন তাঁরা। ওই তরুণীর দেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল। গলায় ক্ষতও ছিল স্পষ্ট। 
জানা গিয়েছে, মৃতার নাম সাবা খাতুন। বয়স ২০। ওয়াটগঞ্জে দিদিমার কাছে থাকতেন তিনি। তবে বেশ কিছুদিন ধরে রেশমা নামে এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলেন সাবা। রেশমা মাদক্তাসক্ত। বহু লোকের আনাগোনা ছিল তাঁর কাছে। তবে কি ঘটনার নেপথ্য যোগ রয়েছে রেশমার? হঠাৎ কেনই বা তাঁর সঙ্গে থাকতে শুরু করেছিল সাবা? কার সঙ্গে কী নিয়ে অশান্তির জেরে এই পরিণতি? কোথায়ই বা খুন করা হয়েছে তাঁকে? উঠে আসছে মাদক প্রসঙ্গও। এসব একাধিক প্রশ্নের উত্তরের সন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 
জানা গেছে, বুধবার সন্ধেয় তরুণীর মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। তারপরই তিনি বেরিয়ে যান। পরে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বাড়ির লোকেরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। আজ সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। নিহত তরুণীর মোবাইল ফোনের হদিস এখনও মেলেনি। পুলিশ অনুমান করেছিল যে অন্য কোথাও খুনের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য বস্তায় ভরে সাবার দেহ ফেলে দেওয়া হয়েছিল ওই এলাকায়। তবে উঠে আসছে অন্য সন্দেহ। তদন্তকারীদের কথায়, প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হচ্ছে আত্মঘাতী হয়েছে তরুণী। তবে কি আত্মহত্যার পর তরুণীর দেহ বস্তায় ভরে ফেলে দিয়ে যায় কেউ? প্রেমঘটিত কোনও কারণে তাঁকে খুন হতে হল কি না, সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top