আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ক্ষেতমজুরদের ন্যায্য মজুরির দাবি সহ একাধিক দাবিতে রাজ্য জুড়ে বামেদের অইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার বাধলো। দুপুর পৌনে তিনটে থেকে জেলায় জেলায় এই কর্মসূচি শুরু করেন বাম কর্মী সমর্থকরা। তাঁদের রুখতে বিশাল পুলিসবাহিনী মোতায়েন ছিল রানি রাসমনি এভিনিইতে। মোতায়েন করা হয়েছিল র‌্যাফও।  সিটুর ডাকে এই আইন অমান্য কর্মসূচি করা হলেও বামপন্থী ছাত্র, যুব এবং মহিলা সংগঠনের কর্মী সমর্থকরাও যোগ দিয়েছিলেন। ছিলেন বিমান বসু সহ প্রথম সারির বামপন্থী নেতারা। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিসের সঙ্গে বচসা বাধে  বাম কর্মী সমর্থকদের। বিক্ষোভকারীদের রুখতে বিশাল পুলিস বাহিনী মোতায়েন রয়েছে সেখানে। বেশ কয়েকজন বামকর্মী সমর্থক রাজভবনে চলে যান। সেখান থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে রানি রাসমনি এভিনিউতে বিক্ষোভরত কর্মী সমর্থকরা। পরে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। 
অন্যদিকে মালদা, জলপাইগুড়ি, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম মেদিনীপুর, রায়গঞ্জে বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।  মালদহে বাম কর্মী সমর্থকরা ব্যারিকেড ভাঙলে পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বাধে। রায়গঞ্জেও চূড়ান্ত অব্যবস্থা তৈরি হয়। পুলিসের ব্যারিকেড ভাঙেন বাম কর্মী সমর্থকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চার্জ করে পুলিস।  বারাসতের চাঁপাডালি মোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বামেরা। যার জেরে যশোর রোডে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top