আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌ত্রিপুরায় লেনিন মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে কলকাতায় প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবনের সামনে জমায়েত হল সিপিএম নেতারা। সেখান থেকে একটি মিছিল যাবে ধর্মতলার লেনিন মূর্তির পাদদেশে। এই কর্মসূচী আগে থেকে তৈরি ছিল না। এখন কলকাতায় চলছে সিপিএমের রাজ্য সম্মেলন। তারই মাঝে এই পরিস্থিতিতে যখন বিজেপির বিরুদ্ধে জাতীয় রাজনীতি তোলপাড় হচ্ছে তখন মিছিলের মাধ্যমে প্রতিবাদে নামল সিপিএম নেতারা। ধর্মতলার এই মিছিলে উপস্থিত থাকবেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। এছাড়া আরও হেভিওয়েট সিপিএম নেতারা উপস্থিত থাকবেন। যদিও এই আন্দোলন ঘোলাজলে মাছ ধরতে নামার সামিল বলে মনে করছে বিজেপি। 
লেনিন মূর্তি বুলডোজার দিয়ে ভাঙার ঘটনা বাড়তি গুরুত্ব পায় বাঁকুড়া থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বক্তব্যের পরই। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন ‘‌লেনিন, নেতাজি, স্বামীজির মূর্তি ভাঙা মানব না। মূর্তি ভাঙা সরকারের কাজ নয়। সরকারে এলেই মূর্তি ভাঙতে হবে এটা ঠিক নয়। সিপিএমের অত্যাচারকে যেমন সমর্থন করিনি, তেমনই বিজেপির অত্যাচারকেও সমর্থন করি না।’‌ এদিকে এই ইস্যুকে সামনে রেখে মাঠে নামছে সিপিআই(‌এমএল)‌ লিবারেশন।

তারাও মিছিল করবে এই ঘটনার প্রতিবাদে। 
সমীর পুততুণ্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ জানিয়ে পোস্ট করেছেন, ‘‌দুনিয়ার লুটে খাওয়া মানুষের বিরুদ্ধে, খেটে খাওয়া মানুষের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের লড়াইয়ের নেতা মহামতি লেনিন। লেনিনের মুর্তি সরিয়ে লেনিনের ভাবনা এবং কাজকে মানুষের মন থেকে মুছে দেওয়া যাবেনা। সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন শক্তি বারংবার চেষ্টা করেছে মার্কসবাদ লেনিনবাদ'কে মানুষের মন থেকে মুছে দেওয়ার। বিজেপি'র চাইতেও বলবান শক্তি চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। বিজেপিও পারবে না।’‌ 
এই পরিস্থিতি নিয়ে লেনিনের একটি বক্তব্য আজও স্মরনীয়। তিনি বলেছিলেন, ‘‌ধর্মীয় বিবাদের দিকে জনগণের মন টানার জন্য প্রতিক্রিয়াশীল বুর্জোয়া সর্বত্রই সচেষ্ট।’‌ বহু যুগ আগে লেনিনের এই বক্তব্য আজও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে বিজেপি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। ‌‌এদিকে, শিলিগুড়ির হাসমিচকে কুশপুতুল দাহ করল সিপিআইএমএল। বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অভিজিত মজুমদার। 

জনপ্রিয়

Back To Top