আজকালের প্রতিবেদন
রাজ্যের বাইরে আটকে থাকা শ্রমিকরা ঘরে ফেরার আর্জি জানিয়ে সরাসরি ‘‌টক টু মেয়র’‌–‌এ ফোন। দিল্লি, আজমেড়, উত্তরপ্রদেশ, কেরল এবং বেঙ্গালুরু থেকে সরাসরি ফোন কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিমকে। কারও বাবা, কারও সন্তানের আবেদন ঘরে ফেরার। মেয়র তাঁদের আশ্বস্ত করে সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য সরকারের হেল্পলাইন নম্বর দিয়ে দেন। যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। তিনি জানান, রাজ্য সরকার ভিন রাজ্যে আটকে থাকা শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এদিনের ‘‌টক টু মেয়র’‌–‌এ লকডাউন ভেঙে নাগরিক অসচেতনতার অভিযোগ জানিয়ে একাধিক ফোন আসে। রাজাবাজার, তপসিয়া, খিদিরপুর, মেটিয়াবুরুজ এলাকায় মানুষ এখনও বেপরোয়াভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এর ফলে শহরে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে। 
এ বিষয়ে মেয়র জানিয়েছেন, কলকাতা এলাকায় এক কোটির বেশি মানুষ বসবাস করেন। এই ঘনবসতি এলাকায় একবার যদি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে তাহলে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হবে। যা প্রতিরোধ করা প্রায় অসম্ভব। তবে এটাও ঠিক, একটা ঝুপড়ি ঘরে ১৫ থেকে ২০ জন মানুষ বসবাস করেন। তাই বেশিক্ষণ ঝুপড়ি ঘরে একসঙ্গে থাকা সম্ভব নয়, কিন্তু তা বলে রাস্তায় অযথা ভিড় করে ঘুরে বেড়ানোও ঠিক নয় এই পরিস্থিতিতে। সেক্ষেত্রে যাঁরা বাড়ির বাইরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁদের নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। অযথা ভিড় করে রাস্তায় একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর দরকার নেই। ৫ মিটার দূরত্ব বজায় রেখে বসে গেম খেলা, সিনেমা দেখেও সময় কাটাতে পারা যায়। কিন্তু বেপরোয়া হয়ে এমন কিছু করবেন না যাতে করোনার মতো মারাত্মক জীবাণু সংক্রমিত হয়ে বিপদ ডেকে আনে।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top