আজকালের প্রতিবেদন- শহরের বাজারগুলিতে লালারস পরীক্ষা শুরু করে দিল কলকাতা পুরসভা। মাইক্রো প্ল্যানিং অনুযায়ী পুর বাজারগুলিতে লালারস সংগ্রহের কাজ শুরু করে দিয়েছে পুর স্বাস্থ্য দপ্তর। বহুতল আবাসনে করোনা সংক্রমণ নিয়ে পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বাজারগুলিকেই সন্দেহের তালিকায় রাখেন। তাঁর কথায়, ঘনবসতিপূর্ন এলাকা থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা ছিল। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেছে, বহুতল ফ্ল্যাট, আবাসনের বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। কারণ এইসব বাসিন্দা নিয়মিত বাজার করতে যান। তাই বাজারগুলিতে আরও নজর দিতে হবে। বাজারগুলিই এখন চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। বাজারের ক্রেতা বিক্রেতা থেকে যাতায়াতকারী সকলের লালারস পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মাইক্রো প্ল্যানিংয়ের মাধ্যমে বাজারগুলিতে লালারস পরীক্ষার কাজ করা হচ্ছে। পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, লকডাউন শিথিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব বাজারই খুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাজারগুলিতে ব্যবসায়ী থেকে ক্রেতা করোনা নিয়ে সরকারি বিধি মানছে কিনা সেদিকে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। পুর স্বাস্থ্য দপ্তরের একাংশের মতে আগের কয়েকটি ক্ষেত্রে দেখা গেছে বাজার থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। বাজার বিক্রেতা আক্রান্ত এমন খবরও এসেছে। বস্তি, ঘন বসতিপূর্ন এলাকা চিন্তার হলেও, উদাসীনতা বাজারেই বেশি চোখে পড়েছে। তাই বাজারে সুরক্ষা ব্যবস্থা কড়া হওয়া দরকার।  তাই বাজারে পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেইমতো বড়বাজার, রাজাবাজার এলাকায় লালারস পরীক্ষার কাজ চলছে। অন্য বাজারগুলিতেও পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। একইসঙ্গে নিয়মিত নজরদারি চালাতে হবে বাজার কমিটি এবং পুরসভাকে। নিয়ম ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাজার কমিটিগুলিকেই বাজারের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে। বেনিয়ম দেখলে বাজার বন্ধ করে দেওয়ারও ভাবনা রয়েছে পুর প্রশাসনের।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top