সাগরিকা দত্ত চৌধুরি: ক্যান্সার গবেষক। চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ২০১০ সাল পর্যন্ত। কিন্তু নেশা ডাকটিকিট, দেশলাই বাক্স জমানো আর পাখির বাসা সংগ্রহ। উৎপল সান্যালের বাড়ি দমদমের পেয়ারাবাগানে সাউথ সিঁথি রোডে। যেটি আসলে মিনি মিউজিয়াম। চড়াই, বাবুই, বেনেবৌ, ফুলটুসি, টুনটুনি, ছোট বুলবুলি, শাখারি মুনিয়া, শালিক, গাংশালিক, ঘুঘোতি, ডাহুক, কোঁচবক, বসন্তবউরি, পাহাড়ি বাতাসি, দোয়েল–সহ মোট ২৩ রকমের পাখির পরিত্যক্ত বাসা রয়েছে যেখানে। গোয়া থেকে কেনিয়া ছুটে বেড়িয়েছেন। সাপের খোলস, মৌচাক, কাঠবেড়ালির বাসা, চা–গাছের চুলপোকা, লালপিঁপড়ে, পাহাড়ি বোলতার বাসাও রয়েছে। তাঁর সংগ্রহের পাখির বাসা নিয়ে প্রদর্শনীও করেছেন। উৎপলবাবুর কাছে পাখির বাবুই পাখিদের মধ্যে স্বয়ংবর প্রথার প্রচলন রয়েছে। শুধু পুরুষ বাবুই বাসা বোনে। আবার দুর্গা টুনটুনির ক্ষেত্রে সাধারণত মেয়ে পাখিরাই বাসা বোনে। উৎপলবাবু বলেন, ‘‌যেখানেই যাই চোখ ঘোরে। পাখিদের সঙ্গে আত্মিক যোগাযোগ হয়ে গেছে।’‌ স্ত্রী ইন্দ্রাণী জানান, ‌সল্টলেকের ফ্ল্যাটে যখন তাঁরা ছিলেন তখন ঘরের উঁচু তাকে বাসা বেঁধেছিল চড়ুই। সেই তাঁর প্রথম সংগ্রহ। বাড়ির সামনে একটা গাছে চিল বাসা বেঁধেছে। তিন মাস ধরে তিনি চিলের বাসা সংগ্রহের জন্য অপেক্ষা করছেন। আপাতত। 

জনপ্রিয়

Back To Top