‌আজকালের প্রতিবেদন: চিংড়িঘাটার দুর্ঘটনার পর পথচারীদের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় লাগানো হচ্ছে ‘‌ড্রপ গেট’। যেখানে পথচারীদের চাপ বেশি, সেই সব জায়গায় এই ধরনের বিশেষ গেট লাগানো হচ্ছে।‌ রাস্তার রেলিংয়ের পাশে থাকবে ড্রপ গেট। গেট খুললে তবেই রাস্তা পার হওয়া  যাবে। অনেকটা রেলের লেভেল ক্রসিংয়ের গেটের মতোই। জানা গেছে, এক্সাইড মোড়, পার্ক স্ট্রিট, শ্যামবাজারের মতো ব্যস্ত এলাকায় এই গেট লাগানো হচ্ছে। ‘‌সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’‌‌ প্রকল্প বছরভর প্রচার করে কলকাতা পুলিস। তার পরেও সচেতন হচ্ছেন না চালকেরা। পথচারীরাও উদাসীন। এবার আরও কড়া হয়েছে পুলিস। লাগানো হচ্ছে ড্রপ গেট। এর পরেও যদি নিয়ম না মানা হয়, কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন উপনগরপাল (‌পরিযান) সুমিত কুমার। তিনি বলেন, ‘‌শহরের ৪টি জায়গায় এখন এই বিশেষ গেট লাগানো হচ্ছে। পরে আরও কিছু জায়গায় লাগানো হবে।’‌ 
কয়েক দিন আগেই কলকাতা পুলিস জানিয়েছিল, রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় কেউ মোবাইল ফোনে কথা বললে, ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে ৯৯০৩৫৮৮৮৮৮ নম্বরে পাঠন। সঙ্গে দিনক্ষণ আর জায়গার তথ্য দিতে হবে। ইতিমধ্যেই সাড়া মিলেছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে প্রতিটি ক্ষেত্রে।  ‌‌
যুবককে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৩
বৃহস্পতিবার রাতে কড়েয়া থানা এলাকায় শিবতলা লেনে মহম্মদ আকিব নামে ২০ বছরের এক যুবককে অপহরণ করে ৪ জন। পরে তার বাবার ফোনে ফোন করে ১ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। পুলিস মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে আরবাজ হোসেন, শারাফত হোসেন, মহম্মদ বাদশাকে গ্রেপ্তার করে। এদের আদালতে তোলা হলে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয় আদালত। জানা গেছে, ওই দিন রাতে আকিবকে ফোন করে ডাকা হয়। সে গেলে হঠাৎই মুখ বেঁধে গাড়ি করে একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর ফোন করে টাকা চাওয়া শুরু হয়। পুলিসে যোগাযোগ করলে পুলিস জানায়, মোবাইলে কথা চালিয়ে যেতে। এর পরেই টাওয়ার লোকেশন ধরে তাদের খোঁজ পাওয়া যায়। আকিবের বাবা আমানুল্লা ব্যবসায়ী। টাকা হাতাতেই এই অপহরণের ছক, 
বলছে পুলিস।

জনপ্রিয়

Back To Top