জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় প্রতারণা করে ক্ষতিপূরণ, চাকরি! ‘মৃত’ অমৃতাভকে আটক CBI-এর

আজকাল ওয়েবডেস্ক: জ্ঞানেশ্বরী দুর্ঘটনার ১১ বছর পার। রেল জানত জ্ঞানেশ্বরী দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কলকাতার জোড়াবাগানের বাসিন্দা অমৃতাভ চৌধুরীর। এমনকী, ডিএনএর-নমুনা মিলিয়ে অমৃতাভ চৌধুরীর পরিবারকে তুলে দেওয়া হয়েছিল দেহ। ক্ষতিপূরণ বাবদ পরিবার চার লক্ষ টাকাও পায়। এমনকী পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়া হবে যে ঘোষণা করা হয়েছিল সেই চাকরিও পায় ‘মৃতের’ বোন। কিন্তু ১১ বছর পর জানা গেল আসল ঘটনা।

কিন্তু ওই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়নি অমৃতাভর। ভুয়ো তথ্য দেখিয়ে ক্ষতিপূরণের টাকা এবং চাকরি নেওয়ার অভিযোগে অমৃতাভ এবং তার বাবাকে শুক্রবার রাতে আটক করেছে সিবিআই। যদিও জেরায় অমৃতাভ বলেন তিনি অমৃতাভ নয়। তবে সূত্রের খবর, নিজের ছেলের পরিচয় স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্তের বাবা। অমিতাভর বোন মহুয়াকে সাসপেন্ড করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। 

ঘটনাটি সন্দেহ হওয়ায় গত বছর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করে রেলের ভিজিলান্স
ডিপার্টমেন্ট। গত ১৫ জুন গোটা বিষয়টি উল্লেখ করে সিবিআইয়ের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ভিজিল্যান্স বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার। আর সেই মোতাবেক শুক্রবার রাতে জোড়াবাগান থানা এলাকার গঙ্গানন্দপুরের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআইয়ের দল। সেখান থেকে দু’জনকে নিজাম প্লেসে এনে জেরা শুরু হয়। তবে অমৃতাভ নিজের পরিচয় স্বীকার করছে না। যদিও মিহির চৌধুরী তার ছেলের পরিচয় স্বীকার করে নিয়েছেন বলে খবর। যদিও অমৃতাভর পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চাইছে সিবিআই। তারপরই তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।