Bowbazar: বৌবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বাড়ি সারানোর কাজ এখনও শুরু করতে পারেনি মেট্রো: ফিরহাদ

আজকাল ওয়েবডেস্ক: এখনও শুরু হয়নি ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি সারানোর কাজ।

অথচ প্রথম বিপর্যয়ের পর কেটে গেছে প্রায় ২ বছর ৯ মাস। শুক্রবার এই নিয়ে কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশন লিমিটেডের (কেএমআরসিএল) প্রতিনিধিদের কাছে কারণ জানতে চান কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। বৌবাজারে বুধবার বিকেলে দুর্গা পিতুরি লেনে ইস্ট‌‌–ওয়েস্ট মেট্রোর কাজ চলাকালীন মেট্রো সুড়ঙ্গে ফের জল ঢুকতে শুরু করলে ওই এলাকায় ফের বিপর্যয় দেখা দেয়। বেশ কয়েকটি বাড়িতে ফাটল ধরে। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বাসিন্দারা। নয়টি বাড়ি ফাঁকা করে দেওয়া হয়। সবমিলিয়ে ১৪১ জন বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের বিভিন্ন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে যান ফিরহাদ হাকিম, স্থানীয় বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক তাপস রায়–সহ অন্যরা। 
পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে শুক্রবার কেএমআরসিএলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বৈঠকে বসেন ফিরহাদ, স্থানীয় বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, স্থানীয়  কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে। ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরাও। 
বৈঠকের শেষে ফিরহাদ জানিয়েছেন, গ্রাউটিং এবং অন্যান্য বিষয় ছাড়াও ওই এলাকার বাড়িগুলির ‘‌হেল্থ অ্যাসেসমেন্ট’‌ চাওয়া হয়েছে। কেএমআরসিএল এর জন্য সময় চেয়েছে।’‌ সেইসঙ্গে মেয়র বলেন, মেট্রোর কাজে সিমেন্ট এবং অন্যান্য জিনিস ব্যবহারের জন্য এলাকার নিকাশি ব্যবস্থায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। 
ফিরহাদের কথায়, বৌবাজারে যেখানে মেট্রোর কাজ চলছে সেখানে আগেরবারের বিপর্যয়ে ২৩টি বাড়ি ধ্বসে গেছে। আরও ২৩টি বাড়ি বিপজ্জনক অবস্থায় আছে। মেট্রো থেকে জানানো হয়েছে আট থেকে নয়টি বাড়ি থাকার উপযুক্ত নয়। এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, যেই বাড়িগুলি ক্ষতি হয়েছিল সেই বাড়িগুলি সারানোর কাজ এখনও শুরু হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বাড়িগুলি পরীক্ষা করে কোন বাড়ি ভাঙতে হবে কোনটা সংস্কার করা হবে তা খতিয়ে দেখে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে দেবে পুরসভা। 
অন্যদিকে সুড়ঙ্গে জল ঢোকা বন্ধ করা হয়েছে বলে মেট্রো জানিয়েছে। যদিও এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে এখনও আতঙ্ক রয়েছে। 

আরও পড়ুন:‌ ‘‌কলকাতায় মুজিব’‌,  ঢাকায় শুটিং শুরু করলেন গৌতম ঘোষ
 


  

আকর্ষণীয় খবর