বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসায় গোটা দেশে বিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচির মধ্যেই হেস্টিংয়ে অভিনব শপথ নিলেন শুভেন্দুরা

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল সরকার।

বুধবার যখন রাজভবনে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মমতা ব্যানার্জি, তখনই হেস্টিংয়ে দলীয় কার্যালয়ে বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়করাও শপথগ্রহণ করলেন। তবে এই শপথ, রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা নির্মূল করার উদ্দেশে নেওয়া হল। বিধায়ক হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব পালন ও মানুষের পাশে থাকার শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী, নিশীথ প্রামানিকরা।
ভোটের পরেই রাজ্যের নানা জায়গা থেকে আসছে হিংসার খবর। বিজেপির দাবি, তাদের কর্মীদের মারধর, হত্যা করা হয়েছে। শুধু বাংলা নয়, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান সহ গোটা দেশে বিজেপি ধর্নায় বসেছে বাংলায় রাজনৈতিক হিংসার প্রতিবাদে। মহারাষ্ট্রে আবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের নেতৃত্বে ধর্না চলছে। বাংলায় বিজেপি কর্মীদের হত্যার ন্যায়বিচার চাওয়া হয়েছে। তার মধ্যেই তৃণমূল গুন্ডাবাহিনীর হাতে বিজেপি কর্মীদের মারধর ও হত্যার প্রতিবাদে এদিন হেস্টিংসে দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান বিক্ষোভে হাজির ছিলেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সহ রাজ্যের প্রথমসারির গেরুয়া শিবিরের নেতারা। 
অবস্থান বিক্ষোভের পাশাপাশি শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রথমসারিতে দাঁড়িয়ে শপথ নেন নন্দীগ্রামের বিজয়ী প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। ছিলেন দিনহাটার নিশীথ প্রামানিক। শপথবাক্য পাঠ করান দিলীপ ঘোষ। মঞ্চে দাঁড়িয়ে শপথবাক্য পাঠ করেন জেপি নাড্ডাও। 
এই প্রথম রাজ্য বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দলের তকমা পেয়েছে বিজেপি। ৭৭ জন বিধায়ক নিয়ে সরকারের উপর বিজেপি চাপ রাখতে পারবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীরা শপথ নিয়েছেন, সততার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালনের। এখন ঘুরেফিরে আসছে একটাই প্রশ্ন। কে হবেন বিরোধী দলনেতা?‌ পাল্লা ভারী নন্দীগ্রামের বিধায়কের দিকেই। 


 

 
 

আকর্ষণীয় খবর