গৌতম চক্রবর্তী: পথ চলা শুরু করল মহেশতলার সম্প্রীতি সেতু। শুক্রবার বাবুঘাট থেকে সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সে সময় মহেশতলার বাটানগরে সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে হাজির ছিলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম। ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি শামিমা শেখ, মহেশতলার বিধায়ক দুলাল দাস, জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও প্রমুখ। ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬.‌৮ কিমি দীর্ঘ এই সেতুটি তৈরি হতে সময় লেগেছে মাত্র ২ বছর। জিঞ্জিরা বাজার থেকে মহেশতলা বাটানগর পর্যন্ত এই সম্প্রীতি সেতু। তারাতলা থেকে সেতু ধরে মাত্র ২০ মিনিটে বাটানগরে পৌঁছনো যাবে। উপকৃত হবেন পূজালি, মহেশতলা, বজবজ, বাটানগর–সহ শহরতলি এলাকার ১০ লক্ষ মানুষ। অনুষ্ঠানে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, ‘‌এই সেতুর দাবি দীর্ঘ দিনের। রাজ্য সরকারের চেষ্টায় তা সম্পন্ন হয়েছে। শুধু কলকাতা নয়, বাংলার মধ্যে এটা দীর্ঘতম। বিকেলের অফিস টাইমের পর যেখানে যাতায়াতে এক ঘণ্টা সময় লাগত। এখন আর তা লাগবে না। মাত্র ২০ থেকে ২৫ মিনিটে বাটানগর পৌঁছনো যাবে। সেতুর নিচে ৭ কিমি রাস্তা সারাইয়ের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। কাজ শুরু শনিবার থেকেই। এক মাসের মধ্যেই তা শেষ হবে।’‌ সাংসদ এদিন কথা দেন, ‌যত দিন সেতুর নিচের রাস্তার কাজ শেষ না হচ্ছে, ততদিন মহেশতলায় এলেও এই সেতু তিনি ব্যবহার করবেন না। পাশাপাশি মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান দুলাল দাসকে সেতুর নিচের রাস্তার কাজের প্রতিদিনের রিপোর্ট দিতে বলেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। মেয়র জানান, আপাতত সেতুতে বাণিজ্যিক গাড়ি টোল ব্যবস্থার মাধ্যমে চলবে। সাধারণ গাড়ির টোল লাগবে না। সাংসদ ও মেয়র, দু’‌জনেই এদিন সেতু পরিদর্শন করেন।‌‌

আলোকিত সেতুপথ। বাটানগরে, শুক্রবার। ছবি:‌ রনি রায় 

জনপ্রিয়

Back To Top