আজকালের প্রতিবেদন: চলন্ত অটোয় মহিলার শ্লীলতাহানি। অভিযুক্ত চালকের বিরুদ্ধে ভয় দেখানো ও হুমকির অভিযোগ নিগৃহীতার। তিনি জানিয়েছেন, ওই অটোচালক তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এমন–কি ওই চালক পুলিসকে হুমকির সুরে বলে, ক্ষমতা থাকলে গ্রেপ্তার করুন। নেতাজিনগর থানায় অভিযোগ জানান তিনি। পুলিস অভিযুক্ত অটোচালক ইমন আলি খানকে গ্রেপ্তার করেছে। কিন্তু থানা থেকে রিকশা করে বাড়ি ফেরার সময় ওই মহিলার পথ আটকায় অটোচালকেরা। অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেয়। ভয়ে তিনি ফের থানায় এসে পুলিসকে ঘটনাটি বলেন। তাঁকে পুলিসের গাড়ি করে বাড়ি ফিরতে হয়।  বুধবার রাতে এই ঘটনার পর তিনি আতঙ্কিত, ভীত। বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন না।
বুধবার সন্ধে ৭টা। ছেলের সঙ্গে ঊষা গেট থেকে গড়িয়া যাবেন বলে অটোতে ওঠেন ওই মহিলা। পায়ে ব্যথার কারণে তিনি অটোর সামনেই বসেন। অভিযোগ, সে সময় নাকি তাঁকে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। তঁার দাবি, ওই চালককে ঠিকভাবে গাড়ি চালানোর কথা বলা হলেও, তিনি শুনছিলেন না। পায়ের ব্যথার জন্য গড়িয়াতে জুতো কিনতে যাচ্ছিলেন। তাই বাধ্য হয়েই সামনে বসতে হয়েছিল। পেছনে ছিলেন ছেলে ও অন্য যাত্রীরা। তাঁরা নেমে যেতেই ওই চালক অভদ্রতা শুরু করেন। এদিকে, ওই অটো রুটের অন্য চালকদের বক্তব্য, যদি তাঁকে শ্লীলতাহানিই করা হয়, তখনই কেন প্রতিবাদ করা হল না?‌ আমাদের জানানো হল না?‌ পরে কেন থানায় গিয়ে অভিযোগ জানানো হল?‌ ঘটনাটি যদি সত্যি হয়, তাহলে নিন্দনীয়। কিন্তু কতটা সত্যি, পুলিসের খতিয়ে দেখা উচিত। যদিও ওই মহিলা জানিয়েছেন, গড়িয়ায় নামতেই তিনি চিৎকার করেন। ছুটে চলে আসেন স্থানীয়রা। চলে আসে সেখানে কর্তব্যরত পুলিস। থানায় গেলে পিছু নেয় সেখানকার চালকেরা। ওই মহিলা ও তাঁর ছেলের উদ্দেশে বিরূপ মন্তব্য করা হয়। ঝুঁকি নিয়েই তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার হয়েছে চালক। তদন্ত চলছে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top