আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দুপুর থেকে দফায় দফায় চড়ছিল উত্তেজনা। কখনও পুলিসের সঙ্গে বচসা, কখনও কমিশনের পাঠানো গাড়িতে ভাঙচুর। অমিত শাহের মিছিল শুরু আগেই শহর গরম করতে মাঠে নেমে পড়েছিলেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। উত্তেজনা এতটাই যে নেতা পৌঁছনোর আগেই শুরু হয়ে যায় মিছিল। 
অমিত শাহ পৌঁছন রোদ পড়ার পর। বিকেলের হাল্কা ফুরফুরে হাওয়া গায়ে মেখে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার থেকে গাড়িতে চড়ে শুরু করেন মিছিল। বৈভবের এই মিছিল দেখতে কলকাতা যে খুব একটা অভ্যস্ত নয় তা বোঝাই গেল মিছিলের জনসমাগম দেখে। মিছিলে লোক ভরাতে বাইরের জেলা থেকে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে আসা হয়েছিল। 
গৈরিক বাহিনীর এই বৈভব মিছিল থমকে গেল কলেজ স্ট্রিটেই। বরাবরই শহরের এই রাস্তাটি আন্দোলন তৈরি করেছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে নকশাল আন্দোলনের প্রাণ কেন্দ্র ছিল এই কলেজস্ট্রিট। এবারও সেই ধারা বজায় রাখল শহরের এই সংগ্রামী পথ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে কালো পতাকা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ছাত্রনেতারা। অমিত শাহকে কালো পতাকা দেখিয়ে তাঁরা বুঝিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, গণতন্ত্রের হত্যাকারীকে কিছুতেই জায়গা দেওয়া যাবে না। সেই লক্ষ্যেই অবিচল ছিলেন ছাত্র নেতারা। বেগতিক দেখে কলেজস্ট্রিট পৌঁছনোর আগেই থমকে যায় অমিত শাহের মিছিল। মোদির ব্যানার দিয়ে প্রাণপণে সেই কালো পতাকা ঢেকে দেওয়া চেষ্টা করেছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এতোটাই ভয় যে গুটি কয়েক ছাত্রদের লক্ষ্য করে ইট বৃষ্টি করতে থাকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। মোদির বড় বড় ব্যানার দিয়ে ঢেকে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা চলে তাঁদের। ডিজে বাজিয়ে স্লোগানের শব্দ ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলে। বিজেপির এই মরিয়া চেষ্টায় প্রমাণ করে দিল বাংলায় চলবে না গৈরিক শাসন। বাংলা বড় কঠিন ঠাঁই। 

 

ছবি: এএনআই

জনপ্রিয়

Back To Top