আজকালের প্রতিবেদন: ছোট ব্যবসায়ীদের, যাদের বছরে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার, তাদের পণ্য ও পরিষেবা কর (‌জিএসটি)‌ দিতে হবে না। রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ড.‌ অমিত মিত্র শুক্রবার বিধানসভায় এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের রাজ্যে ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৫টি ছোট সংস্থা রেজিস্ট্রি করিয়েছে। ব্যবসা করুন, কর্মসংস্থান বাড়ান। অন্যান্য প্রকল্প নিয়েও আপনারা চিন্তাভাবনা করুন। তাঁর কথায় ‘‌কম্পোজিশন স্কিম’‌ তৈরি করুন। মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে আমরা এন্ট্রি ট্যাক্স মকুব করে ১১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পেয়েছি। কৃষকদের ক্ষেত্রেও সুযোগ–সুবিধা বাড়িয়েছি। আমরা মিউটেশন ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের রাজ্যে ৭ থেকে ৮ লক্ষ কৃষক আছেন। তিনি বলেন, কৃষিজমি কৃষির জন্যই ব্যবহার করতে হবে। তাই মিউটেশন লাগবে না। উদ্বৃত্ত ফলনের দাম কৃষকদের দিতে, সহায়তা তহবিল তৈরি হয়েছে। তহবিলে ১০০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য আমরা ১ শতাংশ স্ট্যাম্প ডিউটি কমিয়ে দিয়েছি। যাঁরা শহরে বা গ্রামীণ এলাকায় ফ্ল্যাট কিনছেন তাঁদের ১ শতাংশ স্ট্যাম্প ডিউটি ছাড় দেওয়া হয়েছে। কন্যাশ্রী প্রকল্পে ৪৭ লক্ষ রেজিস্ট্রেশন হয়েছে এই প্রকল্পে। রূপশ্রী প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকার ১৫০০ কোটি টাকা রেখেছে। সেই সঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সংখ্যালঘুদের উন্নয়ন, নারীকল্যাণ–সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে বাজেট ৩ থেকে ১২ গুণ বাড়ানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী এদিন দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিলের ওপর বক্তব্য পেশ করেন। তিনি ব্যাখ্যা দেন, ২০১০ সালে যে বাজেট ছিল তাতে ৮৫,৯২৪ কোটি টাকা। ২০১৮–১৯ সালে সেই বাজেট ২ লক্ষ ১৭ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ আড়াই গুণ বাজেট বেড়ে গেছে। কংগ্রেসের সুখবিলাস বর্মা কামতাপুর অ্যাকাডেমির প্রসঙ্গ তোলেন ও উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ ক্লাবই টাকা পাচ্ছে না বলেন। নিজে গান গেয়ে বক্তব্য শেষ করেন। জ্যোতির্ময় কর বলেন, সরস্বতী প্রেস ৫৮ কোটি টাকা লাভ করেছে। সরকারের মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ বলেন, রাজ্যের সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়ন ঘটেছে।‌‌‌ বাজেটের দ্বিতীয়ার্ধে ৩৯টি বাজেট গিলোটিনে চলে যাওয়ায় কংগ্রেস বিধায়কেরা ওয়াকআউট করেন। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top