আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌অপরাধ যে করেছে তাকে দেওয়া হোক শাস্তি, তার পরিবারের কোনও সম্পর্ক নেই সেই অপরাধের সঙ্গে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বারবার দেখা গিয়েছে অপরাধীর সঙ্গে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে তার পরিবারকেও। কিন্তু যে অপরাধ করছে সে নিশ্চয়ই স্বপরিবারে গিয়ে অপরাধ করছে না। তাহলে কেন তার পরিবারকে হেনস্থা করা হচ্ছে? ‌হ্যাঁ একই ঘটনা আবারও ঘটল আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুলে। যেখানে অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষীর স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করল অভিভাবকরা। রেহাই মেলেনি কিশোরী মেয়েটিরও। মাকে বাঁচাতে গিয়ে তাকেও মার খেতে হল। 
বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আলিপুরের এই সরকারি স্কুলটি। অভিভাবকদের অভিযোগ, নিরাপত্তারক্ষী রামেশ্বর সিং অসৎ উদ্দেশ্যে লজেন্সের প্রলোভন দেখাচ্ছে পড়ুয়াদের। অভিভাবকদের কাছে এ নিয়ে পড়ুয়ারা জানায়। অভিভাবকরা বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানালেও তারা কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। যার জন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্কুলে জমায়েত হন অভিভাবকরা। নিরাপত্তারক্ষী রামেশ্বরকে স্কুলের পেছনের কোয়ার্টার থেকে টেনে বেড় করে নিয়ে আসা হয় এবং তারপরই তাকে মারধর করে অভিভাবকরা। আলিপুর থানার পুলিস ঘটনাস্থলে আসলে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষীকে। যদিও কোন অপরাধের ভিত্তিতে তাকে পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হল সে নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। 
এরপরই অভিভাবকদের রোষ গিয়ে পড়ে নিরাপত্তারক্ষীর স্ত্রী ও মেয়ের ওপর। মারধর করা হয় স্ত্রীকে। রীতিমতো মাটিতে ফেলে চড়–ঘুষি মারতে শুরু করে অভিভাবকরা। ‌ঝাঁটা নিয়ে স্ত্রীর ওপর চড়াও হন অভিভাবকরা। স্কুল ড্রেস পরা অবস্থায় রামেশ্বরের কিশোরী মেয়ে মাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে তাকেও মারধর করে। রীতিমতো বাড়ি থেকে টেনে এনে মারধর করা হয় পরিবারকে। গোটা ঘটনা নিয়েই মুখে কুলুপ এঁটেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্তের পরিবারকে এভাবে মারধর করার অধিকার অভিভাবকদের কে দিয়েছে এখন তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। 

 

 

 

পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয় অভিযুক্তকে।  

‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top