আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌কেষ্টপুরে তরুণীকে গাড়ি নিয়ে ধাওয়া করে সম্মানহানির চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ যুবককে নিজেদের হেফাজতে নিল বিধাননগর পুলিস কমিশনারেট। শুক্রবার ধৃত বিশ্বজিৎ মজুমদার, কিশোর বিশ্বাস, অভিষেক দাস, অভিষেক বাচার ও সজল দাসকে বারাসত আদালতে পেশ করা হলে তাদের জামিনের আবেদন নাকচ করে ৩ দিনের পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। মঙ্গলবার কেষ্টপুরের রাস্তায় এক তরুণীকে ধাওয়া করে জোর করে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করা হয়। 
কেষ্টপুরের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন আসামের ওই তরুণী। কাজ করতেন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায়। প্রতিদিনের মত তিনি মঙ্গলবার রাত সাড়ে ন’‌টা নাগাদ বৈশাখী থেকে ২০৬ ফুটব্রিজ হয়ে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। সমরপল্লি এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় ওই তরুণী লক্ষ্য করেন, তাঁকে লক্ষ করে একটি সাদা রঙের গাড়ি তাঁর মুখে হেডলাইটের আলো ফেলছে।

গাড়ির ভেতর রয়েছে পাঁচ যুবক। প্রথমে ব্যাপারটায় অতটা আমল দেননি তরুণী। কিন্তু একটু পরেই তরুণী বুঝতে পারেন তাঁকে রীতিমতো অনুসরণ করছে গাড়িটি। ভয় পেয়ে তিনি একটি গলিতে ঢুকে পড়েন। গলি থেকে বড় রাস্তায় যেতেই দেখেন সামনে দাঁড়িয়ে গাড়িটি। প্রাণভয়ে তরুণীটি দৌড়তে শুরু করেন। এমনকী একটা জায়গায় এসে ওই তরুণীকে প্রায় ঘিরেই ধরেছিল পাঁচ যুবক। কোনওক্রমে অন্য এক তরুণীর সাহায্য নিয়ে তিনি ওই পাঁচ যুবকের হাত থেকে বাঁচেন। 
ঘটনার কথা বিধাননগর পুলিস জানতে পারে ওই তরুণীর এক বন্ধুর মাধ্যমে। তিনি গোটা ঘটনাটি ফেসবুকে পোস্ট করেন। বুধবারই বাগুইআটি থানার পুলিস পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের নাম বিশ্বজিৎ মজুমদার, কিশোর বিশ্বাস, অভিষেক দাস, অভিষেক বাচার এবং সজল দাস। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বিশ্বজিতের গাড়িটি। 

এই সেই  গাড়ি। কেষ্টপুরের এই রাস্তাতেই ধাওয়া করা হয়েছিল তরুণীকে।

জনপ্রিয়

Back To Top