স্বয়ংবরা বসু
‌‌‌বারো ইয়ার মিলে দেবী দুর্গার পুজোর সূচনা করেছিল। আজকের বারোয়ারি পুজোর ইতিকথা সেই থেকে। বাঙালি যেখানে জোট বাঁধবে, সেখানে পুজো হবেই। বাংলার বারো মাসের তেরো পার্বণের সেরা পার্বণ বলে কথা!‌ তাই সুদূর সুইৎজারল্যান্ডে সুদৃশ্য আল্পস–এর কোলে, জেনিভার হ্রদের উপকূলে সুইস রোমান্ডি অঞ্চলে দুর্গাপুজোয় মাতলেন প্রবাসীরা।
‘‌উৎসব’‌ নামের সুইস–‌বাঙালি সংগঠন তৈরি করেছেন সুইৎজারল্যান্ডে বসবাসকারী বাঙালিরা। এবারই ‘‌উৎসব’‌–‌এর প্রথম প্রয়াস। এত দূর দেশে মাতৃ বন্দনার আয়োজন মুখের কথা নয়। তবে শত ব্যস্ততার মধ্যেও, অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিষ্ঠায় তা সম্ভব করে দেখিয়েছেন প্রবাসীরা। আয়োজনে এতটুকু ত্রুটি রাখেননি। মুম্বই থেকে উড়ে এসেছেন পুরোহিত। দিল্লি থেকে মিষ্টি এসেছে। আর কলকাতা থেকে আনা হয়েছে পুজোর সামগ্রী, দশকর্মা, প্রতিমার সাজ। ভিনদেশে পুজোর আমেজ দিতে এতটুকু কার্পণ্য নেই।
পুজোর ভোগে রোজ থাকছে খিচুড়ি, পোলাও, পায়েস। স্থানীয়রাও তাতে শামিল থাকছেন। প্রবাসী বাঙালি, অবাঙালি, স্থানীয় সুইস বাসিন্দারা হৃদয় দিয়ে উপভোগ করছেন উৎসবের রং–‌রূপ–‌গন্ধ–‌স্পর্শ। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top