‌সংবাদ সংস্থা
করাচি, ২৯ জুন

সোমবার সকালে ৪ সশস্ত্র জঙ্গি হামলা চালায় করাচির শেয়ার বাজারে। ঘটনায় ৪ নিরাপত্তা রক্ষী, ১ পুলিশ আধিকারিক ও ২ জন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। পুলিশ নিকেশ করেছে ৪ জঙ্গিকে। সব মিলিয়ে নিহত ১১ জন। হামলার দায় স্বীকার করেছে মজিদ ব্রিগেড। এরা বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মির অনুগামী। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন পাক প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি এবং প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তঁারা জানিয়েছেন, পাকিস্তানের মাটি থেকে সন্ত্রাসবাদীদের শিকড় উপড়ে ফেলা হবেই। 
এদিন সকালে জঙ্গিরা করাচি স্টক এক্সচেঞ্জে হানা দেয়। একটি গাড়িতে এসে প্রথমে তারা শহরের বাণিজ্য কেন্দ্রের বহুতলের প্রধান প্রবেশ পথের সামনে গ্রেনেড ছোড়ে। তার পর এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকে। নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে চলে গুলিবিনিময়। করাচি পুলিশের ডেপুটি সুপার (‌দক্ষিণ)‌ জামিল আহমেদ জানিয়েছেন, অটোমেটিক মেশিন গান, গ্রেনেড এবং বিস্ফোরক নিয়ে তারা শেয়ার বাজার চত্বরে ঢোকার চেষ্টা করলেও নিরাপত্তা রক্ষীরা তাদের পরিকল্পনা বানচাল করে দেয়। সিন্ধ রেঞ্জারদের তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ এবং রেঞ্জার আধিকারিকরা দ্রুত সেখানে গিয়ে জঙ্গিদের গুলি করে মারে। সেই সময় চার নিরাপত্তা রক্ষী এবং এক পুলিশ সাব ইন্সপেক্টরও প্রাণ হারান। এ ছাড়া দু’জন সাধারণ নাগরিকও ঘটনায় মারা গিয়েছেন। পুরো এলাকা পুলিশ ও রেঞ্জাররা সিল করে দিয়েছে। যঁারা গ্রেনেডে আহত হয়েছেন, তঁাদের মধ্যে আছেন এক পুলিশকর্মী ও স্টক এক্সচেঞ্জের একজন নিরাপত্তারক্ষী।
করাচির সুরক্ষিত এলাকায় স্টক এক্সচেঞ্জ বিল্ডিং। জায়গাটি পাকিস্তানের ওয়াল স্ট্রিট নামেও পরিচিত। সন্ত্রাসবাদ দমন বিভাগের এক কর্তা জানিয়েছেন, এক জঙ্গিকে শনাক্ত করা গেছে। তার নাম সলমন। বালুচিস্তান থেকে এসেছিল। পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের এমডি ফারুখ খান জানিয়েছেন, কোভিড–১৯ সংক্রমণের জেরে অধিকাংশ মানুষই এখন বাড়িতে থাকছেন। তাই ভিড় কমই ছিল। নতুবা হতাহত আরও বাড়ত।

জনপ্রিয়

Back To Top