বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা নেই, দুটি ভিন্ন সংস্থার টিকা নিলে বাড়ছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: হু

আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিশ্বজুড়ে নয়া ত্রাস করোনার ডেল্টা প্রজাতি। আতঙ্ক থেকেই বুস্টার ডোজের চিন্তাভাবনা করছে বহু দেশ। এর মধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে ঘোষণা করা হল, এখনই বুস্টার ডোজের উপর ভরসা করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দুটি ভিন্ন সংস্থার টিকার ডোজ নিলে ব্যক্তির শরীরে বাড়ছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সম্প্রতি মালয়েশিয়া সহ বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে দুটি ভিন্ন সংস্থার টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা শুরু করা হয়েছে। অ্যাস্ট্রাজেনেকার-এর সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে ফাইজারের একটি ডোজ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামিনাথন জানালেন, ভয়ের নয়, এক্ষেত্রে বরং অনেকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি এও জানালেন, ভাইরাস প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়লেও দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার পর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বেশি দেখা যাচ্ছে। জ্বর, গায়ে ব্যথার মতো প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে বেশি। 

ডেল্টা প্রজাতির কারণে ব্রিটেনে ফের এক মাসের লকডাউন জারি করা হয়েছে। সঙ্গে বুস্টার ডোজের চিন্তা ভাবনা শুরু করেছে ব্রিটেন সরকার। অর্থাৎ দুটি ডোজের পরেও যদি রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো যথেষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি না হয়, সেক্ষেত্রে বুস্টার ডোজ দিতে হবে সেই ব্যক্তিকে। কিন্তু সৌম্য স্বামিনাথন জানালেন, বুস্টার ডোজের এখনই প্রয়োজনীয়তা নেই। করোনা মোকাবিলায় এটি একশো শতাংশ কার্যকরী কি না সেটা সুনির্দিষ্টভাবে এখনই ঘোষণা করার সময় হয়নি। একইসঙ্গে তিনি এও জানান, বিশ্বের বহু মানুষ এখনও টিকা পাননি। টিকার ঘাটতিও দেখা যাচ্ছে। সেখানে বুস্টার ডোজ নিয়ে চিন্তাভাবনার সময় আসেনি। ডেল্টা প্রজাতির বিরুদ্ধে যদিও কোনও টিকা ঠিকমতো কাজ করতে অক্ষম হয়, সেক্ষেত্রে বুস্টার ডোজ আদৌ কাজ করবে কি না, সেই নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।