আজকাল ওয়েবডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ‌এবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন। নামগুলো একযোগে শুনে কী মনে হচ্ছে?‌ যুদ্ধের দামামা বাজল!‌ নাহ্‌। এঁরা সকলে এবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার দৌড়ে।
ট্রাম্প, নেতানিয়াহুর পর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুটিন। যদিও ক্রেমলিন থেকে পুটিনের নাম নোবেল কমিটির কাছে পাঠানো হয়নি। জানালেন, প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ। সরকারি সংবাদ মাধ্যম তাস জানিয়েছে, বিশিষ্ট রুশ নাগরিকদের একটি গোষ্ঠী মনোনয়ন পাঠিয়েছে। নেতৃত্বে ছিলেন লেখক সেরগেই কমকভ।
১০ সেপ্টেম্বর অসলোতে মনোনয়নটি পাঠানো হয়েছে। পেশকভ জানিয়েছে, ‘‌যদি প্রেসিডেন্টকে পুরস্কৃত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে দারুণ ব্যাপার। না হলেও সমস্যা নেই।’‌ লেখকদের ওই সংগঠনের মতে, গোটা বিশ্বে সার্বিক শান্তি স্থাপনে ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা নেতানিয়াহুর থেকে অনেক বেশি উদ্যোগী হয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুটিন। তাই এই পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য তিনিই। 
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৩ সালেও নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। কিন্তু সে বার পুরস্কার পাননি তিনি। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে যে কোনও ব্যক্তি অন্য যে কারও নাম নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করতে পারেন। এবার এই পুরস্কারের জন্য ৩০০টি নাম মনোনীত হয়েছে। 
পুটিনের এই মনোনয়ন নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাশিয়ার বিরোধী নেতা আলেক্সেই নাভালনিকে বিষ দেওয়া হয়েছিল। তিনি এখনও জার্মানির হাসপাতালে ভর্তি। জার্মানি, ফ্রান্স এবং সুইডেনের পরীক্ষাগারে দেখা গেছে, নাভালনিকে নভিচোক বিষ দেওয়া হয়। অভিযোগের তীর অবশ্যই পুটিনের দিকে। কারণ নাভালনি প্রকাশ্যে বারবার তাঁর সমালোচনা করেছেন। এই পরিস্থিতিতে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য পুটিনের নাম কীভাবে মনোনীত হতে পারে, সেই নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। 

জনপ্রিয়

Back To Top