Hijab: হিজাব নিষিদ্ধ করা ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘন, বলল আমেরিকা! নাক গলাতে নিষেধ ভারতেরও  

আজকাল ওয়েবডেস্ক: কর্নাটকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হিজাব বিতর্কের ঢেউ আছড়ে পড়েছে বিদেশেও।

এ নিয়ে কর্নাটক সরকারের নির্দেশের বিরোধিতাও করছে অনেকেই। যেমন আমেরিকার এক সরকারি সংস্থা। আমেরিকার ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (আইআরএফ)-এর অ্যাম্বাস্যাডর অ্যাট লার্জ রাশাদ হুসেন টুইট করে লেখেন, ‘স্কুলে হিজাব নিষিদ্ধ করা ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন।’ এই সরকারি সংস্থা গোটা পৃথিবীতে কোথাও ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হচ্ছে কি না সেদিকে নজর রাখে। প্রসঙ্গত, কর্নাটক সরকার জানিয়ে দেয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনও রকম ধর্মীয় পোশাক পরা যাবে না। 

 

Religious freedom includes the ability to choose one's religious attire. The Indian state of Karnataka should not determine permissibility of religious clothing. Hijab bans in schools violate religious freedom and stigmatize and marginalize women and girls.

— Amb. at Large for International Religious Freedom (@IRF_Ambassador) February 11, 2022


রাশাদ হুসেন টুইট করে লেখেন, ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার মধ্যেই পড়ে ধর্মীয় পোশাক পরার স্বাধীনতা। ধর্মীয় পোশাক পরা হবে কি না তা কর্নাটক রাজ্য সরকার ঠিক করতে পারে না। স্কুলে ধর্মীয় পোশাক নিষিদ্ধ করা ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন এবং এতে মেয়ে এবং মহিলাদের কলঙ্কিত এবং অকিঞ্চিতকর করা হয়।’ এই রাশাদ হুসেনকে এক বছর আগেই এই পদে নিয়োগ করে আমেরিকার সেনেট। এই পদে প্রথমবার কোনও মুসলিম ব্যক্তি তিনিই।

Our response to media queries on India’s reaction to comments by some countries on dress code in some educational institutions in Karnataka:https://t.co/Mrqa0M8fVr pic.twitter.com/pJlGmw82Kp

— Arindam Bagchi (@MEAIndia) February 12, 2022

 
এদিকে হিজাব বিতর্ক নিয়ে বিদেশ থেকে যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া দিল বিদেশ মন্ত্রক। বিদেশ সচিব অরিন্দম বাগচী টুইট করে লেখেন, ‘কর্নাটকের কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ড্রেস কোড সংক্রান্ত বিষয়টি মাননীয় কর্নাটক হাইকোর্টের আইনি পরীক্ষার অধীনে রয়েছে। আমাদের সাংবিধানিক কাঠামো এবং পদ্ধতি, গণতান্ত্রিক নীতি এবং রাষ্ট্রশাসন ব্যবস্থার মাধ্যমেই এই বিষয়গুলির সমাধান করা হয়। যাঁরা ভারতকে চেনেন তাঁরা এই বাস্তবগুলো বুঝবেন। উজ্জীবিত হয়ে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করা আদৌ স্বাগত নয়।’ এটা পরিষ্কার, হিজাব বিতর্কে বহির্বিশ্বের নাক গলানো মোটেই পছন্দ করছে না ভারত। 
   
 

আকর্ষণীয় খবর