আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌ ‌উপত্যকায় এখনও লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার‍‌!‌ জম্মু–কাশ্মীর থেকে ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপের বর্ষপূর্তিতে ঠিক এই ভাষাতেই কেন্দ্রের মোদি সরকারকে আক্রমণ করল রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনের একটি বিশেষ দল। ভারত সরকার যদি শীঘ্র পদক্ষেপ না করে, তাহলে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলিকে ব্যবস্থা নিতে হবে। জম্মু–কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার পর থেকেই সেখানকার সাধারণ মানুষের রীতিনতো অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে ‘‌রাষ্ট্র’। করোনা সঙ্কটেও বহু মানুষকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। এখনও ইন্টারনেট নেই বহু জায়গায়। কেড়ে নেওয়া হয়েছে বাক্‌স্বাধীনতা, তথ্যের অধিকারের মতো সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারগুলি। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনের এই দলটি বিগত এক বছর ধরে ভারত সরকারকে এবিষয়ে পদক্ষেপ করতে বলে যাচ্ছে। তিন–চারটে চিঠিও পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু কেন্দ্রের তরফে কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি বলেই দাবি করছে বিশেষজ্ঞরা। ওই প্রতিনিধি দল আরও জানিয়েছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের মানবাধিকার কমিশন বন্ধ রয়েছে। এর ফলে প্রশাসন যখন তখন কাউকে আটক করলে বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটালেও তার জবাব চাওয়ার কেউ নেই।
কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে তুরস্কও। রিসেপ তায়িপ এরদোগানের সরকারের মুখপাত্র রাজধানী আঙ্কারাতে বলেন, ‘‌কাশ্মীরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপের পর। শান্তি ও স্থিতবস্থা বজায় রাখা তো দূর, এক বছর পরও উপত্যকার সাধারণ মানুষ বন্দিজীবন কাটাচ্ছেন। কাশ্মীরিরা ভাল নেই। ভারত–পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করুক এই ইস্যুতে।’‌ এই বক্তব্যের পরদিনই ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে পালটা জবাব দেওয়া হয় তুরস্ককে। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, ‘‌তুরস্ক সরকারের এই মন্তব্য সঠিক নয়। তথ্যগত ভুল আছে কথায়। আমরা তুরস্ক সরকারকে আবেদন করব, দয়া করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জেনে মন্তব্য করা উচিত। এটি সম্পূর্ণ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এতে তুরস্কের নাক গলানোর প্রয়োজন নেই।’‌

জনপ্রিয়

Back To Top