Russia: ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সাইটে সাইবার হানা, নেপথ্যে কি রাশিয়া?‌

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সমস্যা আর কমছে না ইউক্রেনের।

এক তো দেশের চারপাশে বিপুল সেনা মজুদ করেছে রাশিয়া। সেই নিয়ে পশ্চিমী দুনিয়ার সঙ্গে চাপানউতোর চলছে। এর মধ্যে তাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ওয়েবসাইট হ্যাক হল। হ্যাক হয়েছে ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইট। সরাসরি কিছু বলেনি ইউক্রেন। তবে আঙুল রাশিয়ার দিকেই।
মঙ্গলবারই ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের ওয়েবসাইটটি বন্ধ করা হয়েছে। খবরটি প্রকাশ করেছে সেন্টার ফর স্ট্র‌্যাটেজিক কমিউনিকেশনস অ্যান্ড ইনফরমেশন সিকিউরিটি। দেশের সংস্কৃতি মন্ত্রকের অধীনে রয়েছে এই দপ্তর। জানিয়েছে, ‘‌কৌশল’‌ করে এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এর আগেই ইউক্রেনে সরকারি সাইট হ্যাক হয়েছে। সেজন্য সরাসরি ইউক্রেনের দিকে আঙুল তুলেছিল কিয়েভ। এখন ওয়েবসাইটে লেখা রয়েছে, ‘‌মেরামত চলছে’‌। 
এর সঙ্গে দেশের ওশাদ ব্যাঙ্কের সাইটও হ্যাক করা হয়েছে। প্রিভাট ব্যাঙ্কের গ্রাহকরাও এদিন সমস্যায় পড়েছে। তবে ব্যাঙ্কের তরফে কিছু জানানো হয়নি। 
এসবের মধ্যেই মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়েছেন, এখনও রাশিয়ার সঙ্গে সমস্যা কূটনৈতিক পথে মেটানো সম্ভব। তবে রাশিয়ার বাহিনী ইউক্রেনে হামলা করলে আমেরিকা কড়া পদক্ষেপই করবে। সে কথাও জানিয়ে দিলেন। পাশাপাশি এও বললেন, যে রাশিয়া বাহিনীর অনেকগুলো ইউনিট তুলে নিয়েছে দাবি করলেও তারা মানতে নারাজ। কারণ এখনও ইউক্রেন সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বড় বাহিনী রয়েছে। 

 


প্রসঙ্গত গতকালই রাশিয়ান সংবাদ মাধ্যম জানায়, কর্তব্য সেরে সীমান্ত থেকে দেশে নিজেদের ঘাঁটিতে ফিরে এসেছে রুশ সেনা। বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমী দুনিয়াকে কটাক্ষ করতে ছাড়ল না রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রক। মন্ত্রকের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা জানালেন, ‘‌১৫ ফেব্রুয়ারি ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। কারণ এদিন পশ্চিমী দুনিয়ার যুদ্ধের প্রোপাগান্ডা ব্যর্থ হল।’‌ তিনি আরও খোঁচা দিয়ে বললেন, যে একটা গুলি ছাড়াও লজ্জায় ডুবল পশ্চিমী দুনিয়া। 
এর আগে রাশিয়াকে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট বাইডেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুটিনকে ফোনও করেছেন। সূত্রের খবর, পুতিনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বাইডেন বলেছেন, রাশিয়া যদি আক্রমণের দিকে আর এক পাও বাড়ায় তবে ওয়াশিংটন তার সমস্ত মিত্রশক্তি নিয়ে সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেবে। তাতে দ্রুত এবং ভয়াবহ মূল্য চোকাতে হবে দেশটিকে। বাইডেন আরও বলেন, ইউক্রেনে আর একবার আক্রমণের ফলে বহু মানুষের প্রাণ যাবে এবং তাতে রাশিয়ার ভাবমূর্তি খারাপ হবে। 
এদিকে পুতিনের অভিযোগ, রাশিয়ার দাবিতে সন্তোষজনক সাড়া দেয়নি আমেরিকা এবং ন্যাটো। রাশিয়ার দাবি ছিল, ইউক্রনকে ন্যাটোর অন্তর্গত হওয়া থেকে আটকাতে হবে এবং ন্যাটোকে পূর্ব-ইউরোপ থেকে সেনা সরাতে হবে। 
 

আকর্ষণীয় খবর