আজকাল ওয়েবডেস্ক: মার্কিন হাউস অব কমনসে ইতিহাস সৃষ্টি হল। এই প্রথমবার কোনও প্রেসিডেন্টকে দু’বার ‘ইমপিচ’ করা হল। রাজধানীতে হিংসা ছড়ানোর দায়ে অভিযুক্ত হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভোট চুরির মিথ্যে দাবি এবং হিংসায় পাঁচজনের মৃত্যুর দায়ভারও ট্রাম্পের ওপরেই। আমেরিকার হাউসে ভোটাভুটিতে ইমপিচমেন্টের পক্ষে ফল দাঁড়ায় ২৩২-১৯৭। দায়িত্ব ছাড়ার পর মার্কিন সেনেটে ট্রাম্পের বিচার হবে বলে খবর।  
ক্যাপিটল কান্ডের জেরে দেশ এবং দুনিয়ায় নিন্দার ঝড় বয়ে গেলেও রিপাবলিকান দলের প্রতিনিধি প্রায় সবাই ট্রাম্পের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন সংখ্যালঘুদের নেতা কেভিন ম্যাকার্থি। সেনেটে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ক্যাপিটল কাণ্ডের জেরে ট্রাম্পকে ইমপিচ করা হলে ফের ঝামেলা পাকাতে পারে সমর্থকরা। 
স্পিকার তথা ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রতিনিধি ন্যান্সি পেলোসি সহ অন্যান্য ডেমোক্র্যাটরা প্রথম থেকেই এ ব্যাপারে কড়া অবস্থান নিয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে শুধু মৌখিক আপত্তি যথেষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন তাঁরা। পেলোসি বলেন, ‘ওঁকে বিদায় নিতেই হবে, যে দেশকে আমরা ভালবাসি সেই দেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর ট্রাম্প।’
এর আগে ২০১৯ সালে ইমপিচমেন্ট হয়েছিল ট্রাম্পের। সেবার অভিযোগ দায়ের হওয়ার তিনমাস পর বিচারসভা বসেছিল। এক্ষেত্রে কাজ হল খুবই তাড়াতাড়ি। হিংসায় প্ররোচনা দেওয়ার সাতদিন পর এবং অভিযোগের মাত্র দু’দিন পরেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হল। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top