Tonga Volcano: হিরোশিমায় পরমাণু বোমা বিস্ফোরণের ৬৬৭ গুণ তীব্র টোঙ্গা আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত! 

আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র টোঙ্গার উপকূলের কাছে সমুদ্রে নিমজ্জিত আগ্নেয়গিরিতে অগ্নুৎপাত হয়েছে গত ১৫ জানুয়ারি।

হুঙ্গা টোঙ্গা-হুঙ্গা হাপ্পাই নামের আগ্নেয়গিরিটির বিস্ফোরণে সৃষ্টি হয়েছিল সুনামি পরিস্থিতির। টোঙ্গার ১৭০টি দ্বীপ ভরে গিয়েছিল ছাইয়ে। জলের তলায় অগ্ন্যুতপাত হওয়ায় বিস্ফোরণের তীব্রতা ততটা হয়তো বোঝা যায়নি, কিন্তু তাতেও শব্দ হয়েছে ব্যাপক। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গত ১০০ বছরের সবথেকে জোরালো আওয়াজের ঘটনা এটাই। ১৮৮৩ সালে ইন্দোনেশিয়ার ক্রাকাটাওয়ের আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের পর এটাই সবথেকে জোরালো বিস্ফোরণ। ক্রাকাটাওয়ের ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল হাজারের বেশি মানুষের। 

আরও পড়ুন: ২০৫০-এর মধ্যেই জলের নীচে জাকার্তা! ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাজধানী নুসান্তারা ​ 


কতটা ভয়াবহ এবারের বিস্ফোরণ? তা মাপতে এক মাপকাঠি ব্যবহার করেছেন বিজ্ঞানীরা। নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের প্রধান বিজ্ঞানী জেমস গার্ভিন বলছেন, তাদের হিসেবে বিস্ফোরণের তীব্রতা ১০ মেগাটন টিএনটি বিস্ফোরণের মতো। আরও বলা হয়েছে, জাপানের হিরোশিমায় ‘লিটল বয়’ নামে যে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ করেছিল আমেরিকা, টোঙ্গার আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত তার চেয়ে ৬৬৭ গুণ তীব্র। কিংবা ৬৬৭টি লিটল বয় বোমা ফাটার সমতুল্য। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ পারমাণবিক বোমাটি ১৫,০০০ টন টিএনটি বিস্ফোরণের শক্তি নিয়ে হিরোশিমার আকাশে ফেটে যায়। তারপরের ঘটনা ইতিহাস।  
টোঙ্গা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিন জনের, তবে আহত হয়েছেন অনেকেই। দেশের প্রধান দ্বীপ টোঙ্গাটাপুর উপকূলে এসে আছড়ে পড়েছে সুনামির ১৫ মিটার উঁচু ঢেউ। ইউয়া এবং হাপ্পাল দ্বীপেরও একই অবস্থা। ম্যাঙ্গো আইল্যান্ডের সমস্ত বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে।             
 

আকর্ষণীয় খবর