আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌  আবারও বন্দুকবাজের নিশানায় থাইল্যান্ড। আততায়ীর এলোপাথাড়ি গুলিতে মৃত্যু হল ২১ জনের। জখম হয়েছেন কমপক্ষে ৬৩ জন। আততায়ী, ৩২ বছরের জাকরাপন্থ থোম্মাকেও রবিবার সকালে নিকেশ করেছে পুলিস। ঘটনাটি ঘটেছে থাইল্যান্ডের নাখোন রাটচাসিমা শহরের একটি শপিং মলে। মৃতদেহের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি অ্যাসল্ট রাইফেল।
পুলিস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল ৩.‌৩০ মিনিট নাগাদ থাই সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট থোম্মা নিজের কমান্ডিং অফিসারকে প্রথমে গুলি করে মারে। তারপর ছদ্মবেশ পরে, হেলমেটে মাথা ঢেকে, অ্যাসল্ট রাইফেল সহ বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে চুরি করা গাড়ি চালিয়ে কোরাট এলাকার টার্মিনাল ২১ মল নামে ওই শপিং মলে ঢুকে পড়ে। শনিবার হওয়ায় শহরের ব্যস্ত এলাকা ছিল সপ্তাহান্তের ভিড়ে ঠাসা। সেখানে সে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে গাড়িচালক, দোকানের ক্রেতা–বিক্রেতা এবং পথচারীদের উপর। খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ও শপিং মলে আত্মগোপন করে ফেলে থোম্মা। তারপর রাতভর গুলির লড়াই শেষে রবিবার সকালে তাকে নিকেশ করেন পুলিসকর্মীরা।
পুলিস সূত্রে খবর, হামলার আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বন্দুকহাতে ছবি দিয়ে থোম্মা লিখেছিল, ‘‌মৃত্যু সবার জন্যই অনিবার্য।’‌ সে প্রতিশোধের জন্য চলেছে বলেও লিখেছিল ফেসবুকে থোম্মা। যদিও কার বা কিসের প্রতিশোধ সেকথার উল্লেখ ছিল না। হামলা চলাকালীনও একটি ফেসবুক পোস্ট করেছিল থোম্মা, যেখানে সে প্রশ্ন করেছিল, ‘‌এবার কি তবে থেমে যাব?‌’‌ ওই পোস্ট আসার পরই তার ফেসবুক পেজ থেমে যায় বলি জানিয়েছে পুলিস। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রত্যুথ চান–ও–চা মৃতদের পরিবারের প্রতি শোকজ্ঞাপন করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার সুব্যবস্থারও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে গত মাসেও লোপভুরি শহরে সোনার দোকান লুঠ করতে গিয়ে তিনজনকে গুলি করে মারে ডাকাতরা।
ছবি:‌ এএনআই  

জনপ্রিয়

Back To Top