Taliban: লক্ষ্য উদার ভাবমূর্তি প্রকাশ!‌ আরও বেশি নেটমাধ্যমে নয়া তালিবান সরকার

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ১৯৯৬ সালে যখন কাবুল দখল করে ক্ষমতায় এসেছিল তালিবান, তখন ইন্টারনেট, এমনকী টেলিভিশনও নিষিদ্ধ করেছিল। এবার আর সে পথে পা বাড়াল না তারা। বরং সোশ্যাল মিডিয়ায় লাগাতার প্রচার চালিয়ে গেল। নিজেদের প্রতিটি পদক্ষেপ তুলে ধরল। প্রকাশ করল বক্তব্য। সংবাদ মাধ্যম বা আন্তর্জাতিক মহলের প্রশ্নের জবাবও দিল তালিবান নেতারা। চালু করল বিভিন্ন হ্যাশট্যাগ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঠিক যেভাবে নিজেদের রণনীতি পাল্টেছে তালিবান, তেমন করেই সোশ্যাল মিডিয়ার নীতিও পাল্টেছে। বুঝেছে, এই জমানায় আগের মোল্লা ওমরের নীতি আকড়ে থাকলে চলবে না। নতুন তালিবান ক্ষমতায় এসে বারবার বলেছে, আগের মতো তারা আর নেই। মহিলাদের কাজ করতে দেবে, পড়তে দেবে। সরকারি কর্মীদেরও ক্ষমা করা হবে। এই মনোভাবই তারা তুলতে ধরছে সোশ্যাল সাইটে। যদিও কাজের ক্ষেত্রে প্রমাণ মেলেনি।
নতুন তালিবান সরকারের রণনীতিও আগের বারের থেকে অনেকটাই আলাদা। নয়ের দশকে কাবুল দখলের সময় দক্ষিণে কান্দাহার, লস্করগাহ, গজনির পথে এগিয়েছিল তালিব যোদ্ধারা। এ বার পুরনো সেই পথের পাশাপাশি পশ্চিমের হেরাট দিয়েও অভিযান চালিয়েছে তারা। এভাবেই নানা দিক থেকে ঘিরে ধরেছে পঞ্জশিরকে, যা অতীতে তারা দখল করতে পারেনি। 
আর এই জয়ের কথা সেই মে মাস থেকেই সোশ্যাল মাধ্যমে প্রচার করছে তালিবান। ‘উইস্ট্যান্ডউইথতালিবান’ নামে একটি হ্যাশট্যাগও চালু করেছে। এভাবেই আফগানদের সমর্থন আদায় করেছে তারা। ‘‌কাবুলরেজিমক্রাইমস’ হ্যাশট্যাগে গনি সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তোলে তালিবান। 
প্রশ্ন উঠছে, অতীতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্টও বন্ধ করা হয়েছিল। সেখানে তালিবানের হচ্ছে না কেন?‌ যেখানে তারা প্রায় রোজই মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে। সেই জবাব যদিও মেলেনি। 

Yogi Adityanath: ‘‌ডাবল ইঞ্জিন সরকারের ডাবল সুবিধা’‌, যোগীর দরাজ প্রশংসায় প্রধানমন্ত্রী