আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সুদানে এতদিন পর্যন্ত মদ্যপান নিষিদ্ধ ছিল সব নাগরিকের ক্ষেত্রেই। মহিলারা ছিল প্রায় কারাবন্দি। নিয়মনীতি শিথিলতা আনতে কিছু বদল আনল সুদান সরকার। সেদেশে অমুসলিম নাগরিকের সংখ্যা মাত্র ৩ শতাংশ। তাঁদের জন্য মদ্যপান আইনি করা হল। এছাড়া মহিলাদের প্রাপ্য অধিকার দেওয়ার জন্য একটি পা বাড়াল সুদান। নিষিদ্ধ করল খতনা প্রথা।
১৯৮৩ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জফর নিমেইরি ইসলামিক আইন প্রবর্তন করেন। প্রতীকি হিসেবে রাজধানী খারতৌমে সমস্ত মদের বোতল নীল নদে ভাসিয়ে দিয়েছিলেন। এরপরে ১৯৮৯ সালে ওমর আল–বাশির এসে সেই আইনকে আরও কঠোর করে পেশ করেন। স্বৈরাচারী শাসক ওমর আল–বাশিরকে সরিয়ে এরপর ক্ষমতায় আসে নতুন সরকার। দেশে প্রধানমন্ত্রীর পদগ্রহণ করেন আবদাল্লা হামদক। তারা এসে স্বৈরতন্ত্রে নির্মূল করে গণতন্ত্র প্রবর্তনের প্রতিশ্রুতি নেয়। প্রথমেই অমুলসলিমদের ক্ষেত্রে মদ্যপানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এরপর খতনা প্রথার মতো ভয়াবহ প্রথা দেশে নিষিদ্ধ করে। এই প্রথায় মহিলাদের বাহ্যিক যৌনাঙ্গের আংশিক বা সম্পূর্ণ অপসারণ করা হত। এবং নিজের সন্তানের সঙ্গে বাড়ির বাইরে কোথাও যাওয়ার সময়ে পরিবারের পুরুষদের থেকে অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই আর। এছাড়া ধর্মত্যাগ করাকে বৈধ করা হয়। তবে এখনও মুসলিমদের ক্ষেত্রে মদ্যপান করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। আইন মেনে না চললে, তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানালেন আইনমন্ত্রী নাসরিদিন আব্দুলবারি।
 

জনপ্রিয়

Back To Top