‌সমীর দে, ঢাকা, ৫ মার্চ- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জনপ্রিয় লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল আশঙ্কামুক্ত। এই মুহূর্তে তিনি সম্পূর্ণভাবে সজ্ঞান, সচেতন। জানিয়েছে বাংলাদেশের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিএমএইচে চিকিৎসাধীন জাফর ইকবালকে দেখতে যান। বেশ কিছুক্ষণ থাকেন। কথা বলেন তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে। হাসপাতালে খোঁজখবর নেন তাঁর চিকিৎসা বিষয়ে। প্রয়াত লেখক হুমায়ুন আহমেদের ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর গত শনিবার জঙ্গি মতাদর্শে অনুপ্রাণিত এক তরুণ ছুরি নিয়ে হামলা চালায়। এর পর সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিক্যাল কলেজে প্রথমে তাঁর চিকিৎসা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ওইদিনই তাঁকে হেলিকপ্টারে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আনা হয়। এখানে পাঁচ সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ডের পর্যবেক্ষণে আছেন জাফর ইকবাল। আরও কয়েকদিন থাকতে হবে হাসপাতালে।  
পুলিসের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারি বলেছেন, হামলায় যুক্ত সবাইকে খুঁজে বের করে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি, দোষী ব্যক্তিদের মূলোৎপাটন করব।’ আইজিপি সোমবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিজ্ঞান অনুষদের মাঠে আয়োজিত ‘মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশ ও কনসার্টে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। পুলিস বাহিনী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাফর ইকবাল পুলিস পরিবারের সদস্য— এ কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ‘তাঁর বাবা ছিলেন একজন পুলিস কর্মকর্তা। তাঁর ওপর আক্রমণের আমরা নিন্দা জানাই। এ ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। হামলাকারী অসুস্থ থাকায় তাঁকে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ করা যায়নি। আমরা তাঁর পরিবারের সদস্যদের আটক করেছি। এখন পর্যন্ত আমরা যা জানি তা হল, হামলাকারী (ফয়জুর রহমান) নিজে নিজেই জঙ্গি মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল।’            

 ছবি: আজকাল

জনপ্রিয়

Back To Top