আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আবির্ভাবেই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠে গিয়েছিল সে। কিন্তু অকালেই বিদায় নিতে হল অতি জনপ্রিয় অ্যাপ সারাহা–কে। কিন্তু কেন নিষিদ্ধ করা হল সারাহা–কে?‌ কারণটা জানলে চমকে উঠতেই হবে। আর সারাহার এই বিদায়ের পিছনে রয়েছে এক মায়ের হাত। যাঁর নাম কাতরিনা কলিন্স। অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা কাতরিনার একটি ১৩ বছরের মেয়ে রয়েছে। তাকে সারাহা–তে একের পর এক এমন কিছু বার্তা পাঠানো হয়েছিল, যাতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ওই কিশোরী। মেয়ের সঙ্গে কথা বলে কাতরিনা জানতে পারেন, প্রত্যেকদিন অবমাননাকর মেসেজ পেতে পেতে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে সে। যেহেতু সারাহা–তে বার্তাপ্রেরকের নাম জানা যায় না, সেহেতু কারা তাঁর মেয়েকে খারাপ মেসেজ পাঠাচ্ছে, সেটা ধরতে পারছিলেন না কাতরিনা। তাই সোশ্যাল সাইটে পিটিশন দাখিল করার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান। দেখা যায়, অনেকেই কাতরিনার পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ৪ কোটি ৭০ লক্ষ পিটিশন পাওয়ার পরে অ্যান্ড্রয়েড ও অ্যাপল স্টোর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এই অ্যাপ। জানানো হয়, সারাহা–কে ভুল ভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে। নাম গোপন রাখার ফায়দা তুলে অনেকেই যাকে যা খুশি তাই বলে যাচ্ছেন। এতে অনেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন। তাই সারাহাকে নিষিদ্ধ করা হল। 

জনপ্রিয়

Back To Top