Royal Toilet: 'রয়্যাল টয়লেট' নিয়ে ঝামেলা প্রিন্স চার্লস এবং প্রিন্স অ্যান্ড্রুর! মেটালেন রানি এলিজাবেথ  

আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইংল্যান্ডের রাজপরিবার।

তার সবেতেই রাজকীয় ব্যাপার স্যাপার। এমনকী শৌচাগারও রাজকীয়। এই শৌচাগার নিয়েই নাকি একবার তুমুল ঝামেলা বেঁধে গেছিল দুই যুবরাজের মধ্যে। প্রিন্স চার্লস এবং প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে সেই বিবাদ ভঞ্জনে মাঠে নামতে হয়েছিল স্বয়ং রানি এলিজাবেথকে। সে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। নরফোক এস্টেটে প্যালেসে কর্মরত পরিচারকরা তো ভয়ে তটস্থ। এই ঘটনা ১৯৯৯ সালের। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে দ্য সান-কে এই অদ্ভুত ঘটনা জানালেন রাজপরিবারে সে সময় কাজ করা পরিচারিকা মিস জ্যানেট ম্যাকগাওয়ান। 

 

আরও পড়ুন: ক্ষমতা ধরে রাখার মরিয়া চেষ্টা, ভোটিং মেশিন বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প!  


জ্যানেট বলছেন, স্যান্ড্রিংহ্যামে একটি রয়্যাল টয়লেট বরাদ্দ ছিল যুবরাজ চার্লসের নামে। কিন্তু সেই টয়লেটটাই অধিকার করে বসেন যুবরাজ অ্যান্ড্রু। সেখান থেকে তাঁর টয়লেট্রিস অর্থাৎ বাথরুমের সরঞ্জাম সরাতে চাননি অ্যান্ড্রু। পরিচারকদের নির্দেশ দেওয়া হয়, বাথরুমের কোনও জিনিসে যেন তারা হাত না দেয়। ভয়ে রয়্যাল শৌচাগারের ধার মাড়াননি পরিচারকরা, জানিয়েছেন জ্যানেট। এমন নয় যে দুই যুবরাজের বয়স কম। তখন চার্লসের বয়স ৫১ এবং অ্যান্ড্রুর ৩৯। 
জ্যানেট জানিয়েছেন, নরফোক এস্টেটে রাজপরিবারের সদস্যদের প্রত্যেকের জন্য একটা করে শৌচাগার বরাদ্দ থাকে। কিন্তু চার্লসের জন্য যেটা বরাদ্দ করা ছিল সেটাই অধিকার করে বসেন অ্যান্ড্রু। এ নিয়ে পরিস্থিতি গরম হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত মীমাংসা করেন রানি এলিজাবেথ। তিনি এসে অ্যান্ড্রুকে বোঝান, তারপরে শান্ত হন অ্যান্ড্রু। জ্যানেট বলছেন, এই ঝামেলার কোনও অর্থ তিনি বুঝে পাননি, কারণ তাঁর মতে, ওই বাথরুমে স্পেশ্যাল কিছুই ছিল না। অবশ্য এসব রয়্যাল ব্যাপার সাপার, সাধারণের বোধের অগম্য।        
 

আকর্ষণীয় খবর