আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকই সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ। রাষ্ট্রপুঞ্জে অভিযোগ জানিয়ে এই পথই হাতে পেল পাকিস্তান। ফলে রাষ্ট্রপুঞ্জে অভিযোগ জানিয়েও বিশেষ সুবিধা হল না পাকিস্তানের। কাশ্মীর ইস্যুতে বিশ্বের দরবারে ফের একঘরে পাকিস্তান। রাষ্ট্রপুঞ্জের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, জম্মু–কাশ্মীর ইস্যু দ্বিপাক্ষিক বিষয়। এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছতে দিল্লি–ইসলামাবাদকেই আলোচনায় বসতে হবে।
জম্মু–কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা ইস্যুতে রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের বিরুদ্ধে দরবার করেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে এমনই বার্তা দিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্সি দেশ পোল্যান্ড। কিন্তু পাকিস্তানের এতো আপত্তি কিসের?‌ তাদের কী অসুবিধা হচ্ছে?‌ এইসব প্রশ্নের উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি পাকিস্তানের পক্ষ থেকে। 
সংবিধান মেনে ভারত অনুচ্ছেদ ৩৭০ রদের সিদ্ধান্ত নিলে তড়িঘড়ি পাক সংসদের যৌথ অধিবেশন ডেকে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বেশ কয়েকটি কড়া পদক্ষেপ করেন। ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পাশাপাশি দুই দেশের যানবাহন পরিষেবাও বন্ধ করে দেয় পাকিস্তান। সমঝোতা একপ্রেস, থর এক্সপ্রেস পরিষেবা বন্ধ করা হয়। লাহোর–দিল্লির মধ্যে চলাচলকারী ‘দোস্তি’ বাস পরিষেবা বাতিল করে পাকিস্তান। ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকেই দু’দেশের সম্পর্ক কার্যত তলানিতে এসে ঠেকেছে। কিন্তু রাষ্ট্রপুঞ্জে গিয়ে পাকিস্তানের মুখ পুড়ল বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। 

জনপ্রিয়

Back To Top