আজকাল ওয়েবডেস্ক: গোটা দুনিয়া জানে সন্ত্রাসের আঁতুঁ‌রঘর পাকিস্তান। মুখে অস্বীকার করলেও ভিতরে ভিতরে জঙ্গিদের মদত দেয় ইসলামাবাদ। আর এ জন্যই কয়েকদিন আগেও আমেরিকার রোষানলে পড়েছিল ভারতের প্রতিবেশি দেশটি। বন্ধ করে দেওয়া হয় আর্থিক সাহায্য। আর এবার নিরুপায় হয়ে সেই ওয়াশিংটনের দারস্থ হল ইসলামাবাদ। আফগানিস্তানের সঙ্গে যে সীমান্ত নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, সেখানে বেড়া দেওয়ার মতো অর্থ নেই তাঁদের। আর তাই সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য আমেরিকার কাছে আর্থিক সাহায্য চাইল পাকিস্তান। ২০১৯ সালের মধ্যে ২৩৪৩ কিলোমিটার লম্বা পাহাড়ি পথে বেড়া দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করতে চেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু দেশের অভ্যন্তরীন মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ কয়েকদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, টাকা নেই আর সে কারণে সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কাজ ১০ শতাংশও সম্পূর্ণ হয়নি। এরপরই আমেরিকার উদ্দেশে মন্তব্য করেন, ‘‌আফগানিস্তানে যুদ্ধে আমেরিকার বেশি ক্ষতি হচ্ছে। পাক সীমান্তে বেড়া দিতে গেলে ওদের এত টাকা খরচ হত না।’‌ আসলে এই অঞ্চলটি তালিবান এবং হাক্কানি জঙ্গিগোষ্ঠীদের কাছে স্বর্গোদ্বারের মতো। সীমান্তে কোনও বাধা না থাকায় জঙ্গিরা দু’‌দেশের মধ্যেই অবাধে বিচরণ করতে পারে। আর তাই এই বেড়া দেওয়ার কাজ যত দ্রুত সম্ভব করে ফেলতে হবে। এমনটাই মত আসিফের। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ওয়াশিংটনকে সন্তুষ্ট করতেই পাক মন্ত্রী এ ধরনের মন্তব্য করেছেন। কারণ গত মাসেই  প্রকাশ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তালিবান ও হাক্কানি গোষ্ঠীকে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে মদত দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন ট্রাম্প। বাতিল করে দিয়েছিলেন ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক সাহায্যও।  

জনপ্রিয়

Back To Top