আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‌সন্দেহের তালিকায় শুরু থেকেই ছিল বাদুড়! সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এল আরও এক প্রমাণ। একদল বিজ্ঞানীর দাবি, যুগ যুগ ধরেই করোনার জীবাণু বহন করে চলেছে এই স্তন্যপায়ী। সম্প্রতি পেনসিলভেনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন ‘‌নেচার’‌ পত্রিকায়। বিজ্ঞানী ম্যাসিয়েজ বনির নেতৃত্বে গবেষণা চালানো হয়েছে। গবেষকদের দাবি, করোনার উৎস জানা না গেলে তা ঠেকানো যাবে না। তাই সবার আগে তার খোঁজ করা প্রয়োজন। সেই খোঁজ করতে গিয়ে তাঁরা জানাচ্ছেন, হর্সশু নামে বাদুরের একটি প্রজাতির শরীর থেকেই মানুষের দেহে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস!‌ 
আগেও একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, বাদুড়ের শরীরই বহু ভয়ঙ্কর ভাইরাসের আঁতুড়। ইবোলা, সার্চ, মার্সের মত ভয়ঙ্কর ভাইরাসের জীবাণুর অস্তিত্ব মিলেছে বাদুড়ের শরীরে। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, মালয়েশিয়া, উগান্ডা, বাংলাদেশ বা অস্ট্রেলিয়ায় মারবার্গে নিপা ও হেন্ড্রা–র মতো যে সমস্ত ভয়ঙ্কর ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছিল, সে ক্ষেত্রেও ভাইরাসের ধারক ছিল এই স্তন্যপায়ী প্রাণীটি। 
সম্প্রতি ‘‌নেচার’‌ পত্রিকায় মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা জনসন অ্যান্ড জনসন জানিয়েছে, বাদুড়ের শরীরে পরীক্ষামূলকভাবে টিকা প্রয়োগ করে ভাল ফল মিলেছে। এরপরই মানুষের শরীরে ট্রায়ালের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওই সংস্থা। বাদুড়ের শরীরে পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা গেছে, একটি ডোজেই সবকটি সংক্রামিত স্তন্যপায়ী সুস্থ হয়ে উঠেছে।

জনপ্রিয়

Back To Top