আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আধুনিক পৃথিবীর অন্যতম আকাশপথ রহস্যের নাম এমএইচ৩৭০। কুয়ালালামপুর থেকে বেজিংগামী মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং৭৭৭ বিমান এমএইচ৩৭০–র রহস্যময় অন্তর্ধান নিয়ে ২০১৪ সাল থেকে চলছে নানান জল্পনা। এর মধ্যে আবারও নতুন তথ্য যোগ করলেন ঘাইস্লেন ওয়াট্রেলস নামে এক ফরাসি ইঞ্জিনিয়ার। এমএইচ৩৭০–র দুর্ঘটনায় স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে হারিয়েছিলেন ওয়াট্রেলস। 
ফরাসি তদন্তকারী দলের আবিষ্কার করা নতুন তথ্য অনুযায়ী, আকাশে ওড়ার পরে এমএইচ৩৭০–র পণ্যবাহী কন্টেনারে অতিরিক্ত ৯০ কেজি ওজনের কোনও জিনিস চাপানো হয়েছিল। ফ্রান্সের একটি সংবাদমাধ্যমে সেকথা উল্লেখ করে তদন্তকারী দলের সদস্য ওয়াট্রেলস বলছেন, ‘‌ওই অতিরিক্ত ওজন কেন নেওয়া হয়েছিল সেব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা এখনও কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি।’‌ তাঁর অনুমান, অতিরিক্ত ৯০ কেজির ওজন বিমানে রাখার কাজ হয়ত বিমান কোম্পানির ব্যর্থতা নয়ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে করা হয়েছিল। পরে যা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় কোম্পানির তরফে। 
২০১৪ সালে ৮ মার্চ নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এমএইচ৩৭০–র অন্তর্ধান তদন্ত এখন একমাত্র চালিয়ে যাচ্ছে ফ্রান্স। গত সপ্তাহের তদন্ত রিপোর্টে জানা গিয়েছে, এমএইচ৩৭০–র চালক দুর্ঘটনার ঠিক আগে মুহূর্ত পর্যন্ত বিমানের নিয়ন্ত্রণেই ছিলেন। আর এখানেই সন্দেহ তদন্তকারীদের। কারণ বিমানচালকের এই আচরণ তাঁদের ভাবতে বাধ্য করছে যে তিনি সম্ভবত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং সবাইকে খুন করে আত্মহত্যার মানসিকতা ছিল তাঁর। কিন্তু বরাবরই মালয়েশিয়া সরকার দাবি করে এসেছে বিমানচালক এমএইচ৩৭০–র অন্ত্ধানের সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নন। গত বছরের জুলাইয়ে ৪৯৫ পাতার তদন্ত রিপোর্ট বলছে বিমানের নিয়ন্ত্রণ সম্ভবত ইচ্ছা করেই কেউ খারাপ করে দিয়েছিল যার ফলে ওই রহস্যজনক দুর্ঘটনা ঘটে।    

জনপ্রিয়

Back To Top