‌আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে কিছুটা নরম মনোভাব দেখালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছেন, দক্ষতা ভিত্তিক অভিবাসন নীতি ঘোষণা করবে তাঁর সরকার। এরফলে ভারতের মতো প্রযুক্তিবিদ রপ্তানিকারী দেশ উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ক্ষমতায় আসার পরে এই প্রথম স্টেট অব ইউনিয়ন অ্যাড্রেস দিলেন ট্রাম্প। ৮০ মিনিটের বক্তৃতায় তাঁর বিভাজনকামী ভাবমূর্তি ঝেড়ে ফেলতে চাইলেন। ডেমোক্রাটদের সঙ্গে নিয়ে এবার তাঁর সরকার আমেরিকার উন্নয়নে সামিল হবে বলে ঘোষণা করলেন। তবে সবচেয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে তাঁর অভিবাসন সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে। ক্ষমতায় আসা পর থেকেই তিনি কঠোর অভিবাসন নীতি চালু করেছিলেন। সাত মুসলিম দেশের জন্য আমেরিকার দরজা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সেই অভিবাসন নীতি বদলানোর চাপ তৈরি করতে শেষ বিকল্প হিসেবে ডেমোক্রাটরা বেছে নিয়েছিলেন সেনটকে। যেখানে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। প্রশাসন চালানোর জন্য অর্থ বরাদ্দে সম্মতি দেননি ডেমোক্রাটরা। ফলে আমেরিকায় নেমে এসেছিল শাট ডাউন। অর্থের অভাবে জরুরি পরিষেবা ছাড়া প্রশাসনে তালা পড়ে যায়। আমেরিকায় কর্মরত বাবা–মায়েরা তাঁদের সন্তানদের যুব বয়সে নিজেদের দেশ থেকে সেখানে আনে। যাঁদের পোশাকি নাম ‘‌ড্রিমার্স’‌। ট্রাম্পের কঠোর ভিসা নীতির জন্য ১৮ লক্ষ বেআইনি অভিবাসীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ট্রাম্প এদিন চারটি ঘোষণা করেছেন। চার ব্যবস্থাকে ‘‌মেরুদণ্ড’‌ (‌পিলার)‌ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রথম পিলার— যাঁরা শিক্ষা এবং কাজের চাহিদা পূর্ণ করতে পারবেন এবং ভাল চরিত্রের অধিকারী তাঁরা পূর্ণ সময়ের নাগরিকত্ব পাবেন। দ্বিতীয় পিলার হল মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর তৈরি। দক্ষতা, যোগ্যতা বা আমেরিকার জন্য নিরাপদ কিনা বিচার না করে লটারি ব্যবস্থার মধ্যে অকাতরে গ্রিন কার্ড পেয়ে যাওয়া বন্ধ করা হবে। 

জনপ্রিয়

Back To Top