আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌  চীন, দক্ষিণ কোরিয়া বা ইন্দোনেশিয়ায় গেলেই দেখা যায় সবার মুখে মাস্ক। কিন্তু ইওরোপ, আমেরিকা বা ভারত উপমহাদেশীয় অঞ্চলে মাস্ক নিয়ে এখনও সচেতন নন লোকজন। ঘটনা হল, করোনাভাইরাস প্যানডেমিক ঘোষিত হওয়ার  প্রথম থেকেই বিশেষজ্ঞরা বারবার বলে আসছিলেন যাঁরা এই রোগে সংক্রমিত এবং যাঁরা এই রোগের রোগীদের পরিচর্যা করছেন শুধু তাঁদের জন্যই মাস্ক জরুরি। বাকিদের এটার দরকার নেই একেবারেই। কারণ প্রথমত, যেহেতু এই ভাইরাস বাতাসে ছড়ায় না, মানুষের হাঁচিকাশি থেকে নির্গত কণায় ছড়ায় তাই মাস্ক অনাবশ্যক। দ্বিতীয়ত মাস্ক খোলার সময় হাত ধোওয়া না থাকলে রোগ সংগ্রমণের আশঙ্কা অত্যধিক। তবে যেহেতু চীন, হংকং এবং জাপানে বহু মানুষ আক্রান্ত তাই সরকারের তরফেই আবেদন করা হচ্ছে প্রত্যেকেই যেন মাস্ক পরেন। ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্সে অনেকেই রোগ লুকিয়েছেন। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা আরও বেশি। আর ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশের মতো উপ মহাদেশের বহু মানুষ বায়ুদূষণের কারণে আগে থেকেই মাস্ক ব্যবহার করেন। তাই এর সঙ্গে করোনা–আতঙ্ক যোগ হওয়ায় মাস্ক পরার চল আরও বেড়েছে। জাপান, ইন্দোনেশিয়ায় মাস্কের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে ইদানীং। দক্ষিণ কোরিয়ায় রেশনে মাস্ক বিলি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের প্রাথমিক অনুমান, যেহেতু এশিয়ার বহু দেশেই অনেক রোগীই তাঁদের রোগ সম্পর্কে তথ্য গোপন করেছেন বা অনেকে এখনও বুঝতে পারছেন না এর ভয়াবহতা তাই মাস্কের চল এই সব দেশে বেশি। 

জনপ্রিয়

Back To Top