আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মালদ্বীপে রাজনৈতিক অস্থিরতায় জড়াচ্ছে ভারত ও চীনের নাম। দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন। আটক করা হয়েছে দেশের প্রধান বিচারপতিকেও। এবার এই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে ভারত। কারণ, মালদ্বীপের রাজনৈতিক অস্থিরতা সম্পর্কে আগ বাড়িয়ে মন্তব্য করে বসেছে চীন। চীনের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, মালদ্বীপ সরকারের উচিত যা–ই হোক না কেন, সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত মেনে চলা। মালদ্বীপকে চীন তাদের বাজারে নিঃশুল্ক বাণিজ্যের অনুমতি দিয়েছে। এসব কিছুতেই শঙ্কার কারণ দেখছে ভারত। ভারতের তরফে মনে করা হচ্ছে, জলপথে মালদ্বীপকে ঘাঁটি করে চীন আধিপত্য কায়েম করতে চাইছে ভারত মহাসাগরে। মালদ্বীপে সামরিক ঘাঁটিও গড়ে তুলতে পারে চীন। সেক্ষেত্রে স্পষ্টতই চাপে পড়বে ভারত।
মালদ্বীপের ওপরে আধিপত্য কামেয়ের ছক চীন দীর্ঘ দিন ধরেই কষছে। চীন মালদ্বীপে গত বছরে ৩ লক্ষেরও বেশি ভ্রমণার্থী পাঠিয়েছে। সারা বিশ্বের অন্য কোনও দেশ থেকে এত পর্যটক পাঠানো হয়নি। শুধু তাই নয়, সরাসরি আর্থিক সাহায্যও পাঠানো হয়েছে। মালদ্বীপের মাটিতে একাধিক শিল্পের সূচনা করেছে বেশ কিছু চীনা সংস্থা। সব মিলিয়ে মালদ্বীপের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে মোটেও সাদা চোখে দেখতে রাজি নন ভারতীয় কূটনীতিবিদরা।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top