আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ভেবেছিলেন কুকুর। তাই রাস্তার পাশে পড়ে থাকা আহত পশুটিকে বাড়িতে এনে শুশ্রূষা করেন। শেষপর্যন্ত যখন ভুল বুঝতে পারেন, ততক্ষণে অনেকটাই দেরি হয়ে গেছে। দেখা যায়, রাস্তা থেকে কুড়িয়ে পাওয়া পশুটি কোনও কুকুর নয়, আসলে একটি বিরল প্রজাতির ভাল্লুক। আর বাড়িতে সেই ভাল্লুক পুষেই হাতে হাতকড়া পরলেন মালয়েশিয়ার বিখ্যাত গায়িকা সোফিয়া ইয়াশিন। বাড়িতে বিরল বন্যপ্রাণী রাখার অপরাধে আপাতত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোফিয়া অবশ্য জানান, বেশ কিছুদিন আগে প্রাণীটিকে রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছিলেন। বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন সেবা শুশ্রূষা করে সুস্থ করে তোলার জন্য। ২৭ বছর বয়সী গায়িকার কথায়, ‘‌তখন অনেক রাত। রাস্তার ধারে ভাল্লুকের বাচ্চাটিকে দেখতে পাই। খুবই দুর্বল ছিল। আমার মায়া হয়। কুকুর ছানা ভেবেই বাড়ি নিয়ে এসেছিলাম।’‌ তিনি আরও জানান, ‘‌আইন ভাঙার বা অমান্য করার কোনও উদ্দেশ্যই আমার ছিল না। আমি শুধু পশুটিকে সুস্থ করতে চেয়েছিলাম এবং না বুঝে কুকুর ছানা ভেবেই বাড়ি নিয়ে এসেছিলাম।’‌ এমনকী সেটির নামকরণও করেছিলেন। নাম রেখেছিলেন ব্রুনো। ভেবেছিলেন, সুস্থ হয়ে গেলে চিড়িয়াখানায় রেখে আসবেন। গত
শুক্রবার মালয়েশিয়ার বনদপ্তরের আধিকারিকরা গায়িকার কুয়ালালামপুরের বাড়িতে হানা দেন। একসঙ্গে অত লোককে দেখে ভয় পেয়ে যায় ব্রুনো। জানলা দিয়ে মুখ বের করে প্রাণপনে ডাকতে থাকে। সেইসময়ই স্থানীয় এক বাসিন্দা ভাল্লুক শাবকের ভিডিও শ্যুট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। মুহূর্তে ভাইরাল! এরপরই বয়ে যায় বিতর্কের ঝড়। অনেকেরই দাবি, ভাল্লুকটিকে পরবর্তী কালে চড়া দামে বিক্রি করার মতলব এঁটেছিলেন গায়িকা। যদিও তিনি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।‌

জনপ্রিয়

Back To Top