আজকাল ওয়েবডেস্ক: চরবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন। আদালতের এই রায় পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানাতে নাকি আগ্রহী নন তিনি। রিভিউ পিটিশন জমা দিতে চান না ভারতীয় নাগরিক কুলভূষণ যাদব‌। পরিবর্তে ক্ষমার আর্জিই জানিয়েছেন তিনি। দাবি করল পাকিস্তান। 
এদিন সংবাদ মাধ্যমকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আহমেদ ইরফান বললেন, ‘‌১৭ জুন কুলভূষণকে তাঁর শাস্তির রায় পুনর্বিবেচনার জন্য রিভিউ পিটিশন দাখিলের সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। নিজের আইনি অধিকার প্রয়োগেও রাজি হননি। বরং ক্ষমার আবেদনই জানাতে চান।’‌ পাকিস্তানের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, দ্বিতীয়বার ভারতীয় দূতাবাসের আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁকে দেখা করার সুযোগও দেওয়া হয়েছে। কুলভূষণের স্ত্রী এবং বাবাকেও তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে বলে খবর। এ বিষয়ে পাকিস্তানের তরফে ভারতকেও সরকারিভাবে জানানো হয়েছে।
২০১৬ সালের ৩ মার্চ পাকিস্তানের বালুচিস্তান থেকে গ্রেপ্তার হয় কুলভূষণ। ইসলামাবাদ দাবি করে, ইরান দিয়ে পাকিস্তানে ঢুকেছেন কুলভূষণ। উদ্দেশ্য ছিল চরবৃত্তি। দিল্লি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জানিয়েছে, ইরানের চাবাহারে ব্যবসা ছিল কুলভূষণের। সেখানকার বন্দর থেকেই অপহৃত হন তিনি। ২০১৭ সালে চরবৃত্তি এবং সন্ত্রাস ছড়ানোর দায়ে কুলভূষণকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে পাকিস্তানের সেনা আদালত। ভারত কূটনৈতিক মাধ্যমের সাহায্যে এই শাস্তি রদের চেষ্টা করেছে। ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিসও ভারতের পক্ষেই রায় দিয়েছে। সেই রায় বলবতের চেষ্টা করছে দিল্লি। পাকিস্তান কুলভূষণকে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের অনুমতি দিলে গত বছর সেপ্টেম্বরে যাদবের সঙ্গে দেখা করেন ইসলামাবাদে ভারতীয় হাই কমিশনার গৌরব আলুওয়ালিয়া। আন্তর্জাতিক আদালতও কুলভূষণের শাস্তির পুনর্বিবেচনার জন্য পাকিস্তানকে অনুরোধ জানিয়েছে। 

জনপ্রিয়

Back To Top