আজকাল ওয়েবডেস্ক: মুক্তি পেতে চলেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদাকে শর্তসাপেক্ষে ৬ মাসের জন্য মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। তবে কোনও হাসপাতাল গিয়ে নয়, বাড়িতেই চিকিৎসা নিতে হবে খালেদাকে। পাশাপাশই দেশের বাইরেও যেতে পারবেন না।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে আইনমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ নিয়েছেন। জানা গিয়েছে, পুরোপুরি মানবিক কারণেই এই সিদ্ধান্ত হাসিনার।
বাংলাদেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেই প্রেক্ষিতে খালেদা জিয়ার পরিবারের করা মুক্তির আবেদন সুপারিশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার গুলশানের বাসভবনে এক সাংবাদিক বৈঠক ডেকে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স বিবেচনায় মানবিক কারণে সরকার সদয় হয়ে সাজা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জেলে থাকাকালীন খালেদা জিয়ার পরিবারের করা মুক্তির আবেদনটি কিছুদিন আগেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক হয়ে আইন মন্ত্রকে পৌঁছে গিয়েছিল। আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, মুক্তি পেয়ে খালেদা জিয়া বাড়িতে থাকবেন এবং সেখান থেকেই চিকিৎসা নিতে পারবেন। মুক্তির বিষয়ে আইন মন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক অনুমোদন দিলেই খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন। এতিমখানা ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ১৭ বছরের সাজা দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে বন্দি রয়েছেন খালেদা জিয়া। প্রথমে পুরনো ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হলেও গত বছর ১ এপ্রিল থেকে তাঁকে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জনপ্রিয়

Back To Top