আজকাল ওয়েবডেস্ক: জাপানে বিধ্বংসী বন্যা এবং ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১৪১। ১৯৮২ সালে জাপানে বন্যায় ৩০০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তারপর এত ভয়ানক বন্যা আর দেখেনি জাপান। এখনও নিখোঁজ বহু। মঙ্গলবার সকাল থেকে জীবিতদের খুঁজতে ধসের মাটি, পাথর খুঁড়ে সন্ধান চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

টানা ৭২ ঘণ্টার ভআরী বর্ষণে প্রায় সব কটি নদী উপচে প্লাবিত বিস্তীর্ণ অঞ্চল। নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে কমপক্ষে ২০ লক্ষ মানুষকে। স্কুল, কলেজ এবং জিমন্যাশিয়ামে ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। বৃষ্টিতে মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলে ফের ধস নামার আশঙ্কা করছে প্রশাসন।

নিজের সব বিদেশসফর বাতিল করে বন্যা মোকাবিলায় কড়া নজরাদারি চালাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। সেনা, দমকল, পুলিস এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মী মিলিয়ে উদ্ধারকারী দলে রয়েছেন ৭০,০০০ সদস্য। দক্ষিণ জাপানের ওকায়ামা প্রিফেচারে আবার বন্যা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

নদীবাঁধ ভেঙে শুধু ওকায়ামাতেই জলের তোড়ে গুঁড়িয়ে গিয়েছে ৪৬০০০ বাড়ি। হিরোশিমা প্রিফেচারেও বড় ভূমিধস নেমেছে। ধসের ফলে রাস্তা নষ্ট হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকারী দল সমস্যায় পড়েছে। টানা বৃষ্টির পর মঙ্গলবার সকাল থেকে রোদের তীব্র তাপে উদ্ধার হওয়া দুর্গতদের শারীরিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর ফলে অসুস্থদের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।  

জনপ্রিয়

Back To Top