সংবাদ সংস্থা, দিল্লি: জোড়া সুখবর। নভেম্বরেই বাজারে করোনার টিকা আনতে পারে আমেরিকার ওষুধ সংস্থা ফাইজার।  সব ঠিক থাকলে মার্চেই ভারতের বাজারে আসতে পারে অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা টিকা কোভিশিল্ড, জানিয়েছে সিরাম। তাছাড়া ভারতে শিগগির শুরু হবে করোনার রুশ টিকা ‘‌স্পুটনিক ভি’‌র দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বের ট্রায়াল। ছাড়পত্র দিয়েছে সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (‌সিডিএসসিও)‌–‌এর বিশেষজ্ঞ কমিটি। এদিকে শনিবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, বায়ো–টেকনোলজি বিভাগের বক্তব্য অনুযায়ী ইতিমধ্যে করোনাভাইরাসের জিনের গঠন নিয়ে দেশ জুড়ে দুটি গবেষণা চলছে। তাতে দেখা যাচ্ছে ভাইরাসের জিনের গঠনগত তেমন কোনও পরিবর্তন হয়নি। ফলে টিকা নিয়ে যে গবেষণা চলছে তার কার্যকারিতাও বজায় থাকছে।  
ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন ও অক্সফোর্ডের কোভিশিল্ড–এর চূড়ান্ত পর্বের ট্রায়াল চলছে ভারতে। সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (‌এসআইআই)‌–র এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর ডঃ সুরেশ যাদব জানিয়েছেন, ড্রাগ রেগুলেটরের সবুজ সঙ্কেত পেলেই মার্চে বাজারে আসতে পারে করোনার টিকা। এদিকে ভারতে ‘স্পুটনিক ভি’র উৎপাদন করছে ডঃ রেড্ডিজ ল্যাবরেটরি।প্রথম দফার ট্রায়াল চলছিল। আটকে গিয়েছিল তাদের ট্রায়াল। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বের ট্রায়াল শুরুর জন্য ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার কাছে আবেদন জানায় ডঃ রেড্ডিজ ল্যাবরেটরি। তার অনুমতি মিলেছে। জানায় দ্বিতীয় দফায় ১০০ জন ও তৃতীয় দফায় ১,৪০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে।ওদিকে ১৫০টির বেশি করোনা টিকার ট্রায়াল চলছে দুনিয়া জুড়ে। ১০টি টিকার তৃতীয় পর্বের ট্রায়াল চলছে। টিকার দৌড়ে এগিয়ে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, জনসন অ্যান্ড জনসন, মডার্না এবং সিনোভ্যাকের তৈরি করোনা টিকা। ফাইজার জানিয়েছে, জার্মান সংস্থা বায়োএনটেকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে করোনার টিকা তৈরি করেছে তারা। ৪৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে ফাইজারের টিকার পরীক্ষা হয়েছে। নিরাপত্তার মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হলে নভেম্বরের জরুরি ভিত্তিতে টিকাকরণ শুরু হবে আমেরিকায়। নভেম্বরে আমেরিকায় টিকা মিলবে বলে ভোটের প্রচারে আশ্বাস দিচ্ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।‌‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top