Boris Johnson: ‌ইস্তফা দেবেন বরিস?‌ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদে এগিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক 

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ইস্তফার চাপ বাড়ছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের উপরে।

প্রশাসনে বড়সড় রদবদলের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বরিস জনসন শীঘ্রই ইস্তফা দিতে পারেন বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তাঁর বদলে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে খানিকটা প্রথা ভেঙেই প্রবেশ করতে পারেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। তিনি এখন সেখানকার চ্যান্সেলর। 
২০২০ সালের মে মাস। ইংল্যান্ডে চলছিল লকডাউন। ঠিক সেই সময় সময় ওয়াইন পার্টিতে দেখা গিয়েছিল প্রেমিকা–সহ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে। এই ছবি ভাইরাল হতেই বিতর্কের মুখে পড়েন বরিস জনসন। বিরোধীরা ছাড়াও বরিসের কনজারভেটিভ পার্টির অন্দর থেকেও চাপ আসতে থাকে। সকলেই চান, বরিস প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিন। ওয়াইন পার্টি নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নিজেও একাধিকবার সাফাই দিয়েছেন। কিন্তু বিরোধীরা সেসব মানতে রাজি নন। বরিসের গদি টলমল হওয়ার সূত্রপাত এখানেই। লকডাউন চলাকালীন ব্রিটেনে যাবতীয় নিয়মভঙ্গের বিষয়টি এই মুহূর্তে তদন্তের আওতাভুক্ত। বর্ষীয়ান আমলা স্যু গ্রে এর তদন্ত করছেন। বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বরিস আন্তরিক ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন নিজের কীর্তির জন্য। তখন আবার পার্লামেন্টে ছিলেন না ভারতীয় বংশোদ্ভুত চ্যান্সেলর ঋষি সুনক। যা নিয়ে ফিসফাস শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন বলে বরিসের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছে। যদিও পরে টুইটে পার্লামেন্টে নিজের অনুপস্থিতি নিয়ে জবাব দিয়েছেন ঋষি। বলেছেন, দিনভর নানা জায়গা পরিদর্শনে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। এছাড়া এমপি–দের সঙ্গে বৈঠকও ছিল। এরপর ঋষি বলেন ‘‌আমি মনে করি, পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ক্ষমা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী খুব ভাল করেছেন। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে তো তদন্ত চলছেই।’‌ তবে প্রধানমন্ত্রীর পদ নিয়ে একটি কথাও বলেননি ঋষি। 

আরও পড়ুন:‌ রাতের শহরে বেপরোয়া ট্রাক পিষে দিল পুলিশ কনস্টেবলকে


 

আকর্ষণীয় খবর