আজকাল ওয়েবডেস্ক: শ্রীলঙ্কায় বিস্ফোরণের দু’‌ঘণ্টা আগে দিল্লি থেকে সতর্ক করা হয়েছিল। রবিবার ইস্টারের দিন বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে এই দ্বীপ। আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যু হয় ৩০০–রও অধিক জনের। তবে এই ঘটনা ঘটার আগে ভারত থেকে কলম্বোকে পরপর তিনবার সতর্ক করা হয়েছিল। 
রবিবার সকালে যখন সবাই ইস্টারের ছুটিতে মগ্ন, ঠিক সেই সময়ই তিনটি গির্জা এবং চারটে হোটেলে এই হামলা হয়। ৩৫৯ জন মানু্ষ নিহত হন এবং ৫০০ জন আহত। গত কয়েক দশক ধরে শ্রীলঙ্কায় শান্তি বিরাজ করছিল। কিন্তু এই ঘটনার পর ফের অশান্ত হয়ে উঠল। মঙ্গলবার এই হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএসআইএস। যদিও তারা এ বিষয়ে কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেনি। শ্রীলঙ্কার প্রতিরক্ষা দপ্তর ও ভারত সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, গির্জায় প্রথম বিস্ফোরণের ঘণ্টা দুয়েক আগেও ভারত থেকে সতর্ক করা হয়। সেটা ছিল শেষ এবং তৃতীয় সতর্কবার্তা। দ্বিতীয় সতর্কবার্তা পাঠানো হয় বিস্ফোরণের আগের দিন রাতে অর্থাৎ শনিবার। এই সতর্কবার্তায় আরও নির্দিষ্ট করে সম্ভাব্য স্থানের কথা বলা হয়েছিল, যেখানে বিস্ফোরণ হতে পারে। ভারতের গোয়েন্দা সূত্রে খবর, প্রথমবার ৪ ও ২০ এপ্রিল দিল্লির তরফে সতর্কবার্তা পাঠানো হয় শ্রীলঙ্কা প্রশাসনের কাছে। এই সতর্কবার্তায় বলা হয়, ডিসেম্বর মাসে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি ( এনআইএ )–র কাছে জঙ্গি গোষ্ঠী ন্যাশনাল তৌহিত জামাতের কিছু ভিডিও এসেছে। এই ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে এনটিজে প্রধান মৌলবি জাহরান বিন হাশিম কিছু নির্দেশ দিচ্ছেন এই জঙ্গি সংগঠনের শ্রীলঙ্কার শাখাকে। এই সতর্কবার্তায় আরও জানানো হয়, শুধুমাত্র সে দেশের বিভিন্ন গির্জাই নয়, কলম্বোর ভারতীয় হাই কমিশনও জঙ্গিদের নিশানায় থাকতে পারে।
তবে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, এখনও নাশকতার সম্ভাবনা আছে এই দেশে। কারণ ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে খবর রয়েছে, এখনও নাশকতা ছড়ানোর লক্ষ্যে বেশ কিছু যুবক শ্রীলঙ্কায় রয়েছে। তাদের খোঁজে চলছে জোরদার তল্লাশি।    ‌

জনপ্রিয়

Back To Top